Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

রাতারাতি কোটিপতি!‌ উত্তরপ্রদেশের কিশোরীর অ্যাকাউন্টে আচমকাই ঢুকল ১০ কোটি

কীভাবে এবং কোথা থেকে এতটাকা এসেছে? কিছুই জানে না সে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ২০:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ২০:৪৭

options
link
রাতারাতি কোটিপতি!‌ উত্তরপ্রদেশের কিশোরীর অ্যাকাউন্টে আচমকাই ঢুকল ১০ কোটি zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক রাতে কোটিপতি!‌ না কোনও লটারি বা অপরাধমূলক কোনও কাজ করে নয়, আচমকাই প্রায় ১০ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বছর ষোলোর এক কিশোরী।‌ দু’‌বছর আগে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলেছিল ওই কিশোরী। সম্প্রতি সেটির ব্যালেন্স দেখতে গিয়েছিল সে। তখনই সে আবিষ্কার করে অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬ টাকা! তাতেই রীতিমতো হতবাক হয়ে যায় উত্তরপ্রদেশের বালিয়া (Balia) জেলার রুকুরপুরা গ্রামের কিশোরী সরোজ।

[আরও পড়ুন: অযোধ্যার পর এবার প্রভু শ্রীকৃষ্ণের ‘জন্মস্থান পুনরুদ্ধারে’ মামলা দায়ের মথুরা আদালতে]

পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। বাবা আমেদাবাদে (Ahmedabad) কাজ করেন। এই পরিস্থিতিতে দু’‌বছর আগে গ্রাম থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে এলাহাবাদ ব্যাংকের একটি শাখায় অ্যাকাউন্ট খুলেছিল সরোজ। সম্প্রতি সেই অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স চেক করতে গিয়েই এই বিষয়টি নজরে আসে তার। এরপরই ব্যাংক এবং পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। পুলিশকে সরোজ জানায়, সে পড়াশোনা শেখেনি। শুধুমাত্র নিজের সই করতে পারে। তা দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলে। তাই সে নিজেও জানে না কোথা থেকে এত টাকা এসেছে। এদিকে, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, আগেও একাধিকবার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন হয়েছে। আর সেটার পরিমাণও অনেক বেশি। কিন্তু সে বিষয়ে কোনও ধারণাই ছিল না সরোজের। আপাতত অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: লকডাউনে ১২ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চাল! ক্ষুধার্তের পেট ভরাচ্ছে হায়দরাবাদের ‘রাইস এটিএম’]

পরে সরোজ জানায়, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কানপুর (Kanpur) দেহাত জেলার নীলেশ নামে এক ব্যক্তি তাঁর আধার কার্ড, ছবি–সহ অন্যান্য নথি চেয়েছিল। সেইমতো নীলেশের ঠিকানায় সেইসব নথি পাঠিয়েছিল সরোজ। পরে এটিএম কার্ড পাওয়ার পরও নীলেশকে তা পাঠিয়ে দিয়েছিল। এমনকী এটিএম কার্ডের পিনও জানিয়েছিল। আপাতত পুলিশকে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট–সহ অন্যান্য তথ্য দিয়েছে সরোজ।ইতিমধ্যে গোটা বিষয়টির তদন্ত চলছে। কোথা থেকে ওই টাকা এসেছে, তা খতিয়ে দেখছে ব্যাংক আধিকারিকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.