Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
US

বিলের চেয়ে ঢের বেশি অঙ্কের টিপস রেস্তরাঁকর্মীকে! ক্রেতার উদারতায় মুগ্ধ নেটদুনিয়া

টিপস পেয়ে কী বলছেন কর্মী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২০, ১৫:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২০, ১৫:৫৫

options
link
বিলের চেয়ে ঢের বেশি অঙ্কের টিপস রেস্তরাঁকর্মীকে! ক্রেতার উদারতায় মুগ্ধ নেটদুনিয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইটালিয়ান ফুড ভারী পছন্দের। খুঁজে খুঁজে আমেরিকার (US) পেনসিলভেনিয়ায় এক ইটালিয়ান রেস্তরাঁয় গিয়ে খাওয়াদাওয়া করেছিলেন এক নাগরিক। বিল হয়েছিল ২০৫ ডলার। সেই বিল মেটাতে গিয়ে তিনি যে পরিমাণ টিপস (tips) দিলেন, তা জানার পর শুধু ওই রেস্তরাঁকর্মীই নন, তাজ্জব নেটিজেরাও। শুধুমাত্র টিপস বাবদই ওই গ্রাহক দিয়েছেন ৫০০০ ডলার! এমন উদার ক্রেতার কথা মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছে নেটিদুনিয়ায়। আর এই ঘটনাই ফের প্রমাণ করে দিল, এই সংকটকালেও মানবিকতায় ভাটা পড়েনি। অন্যের সাহায্যে অনায়াসেই নিজের মোটা অঙ্কের সঞ্চয় দান করার মতো বড় মন এখনও আছে অনেকেরই।

Advertisement

ঘটনা ঠিক কী? পেনসিলভেনিয়ার এক ইটালিয়ান রেস্তরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন জনৈক মার্কিন নাগরিক। যিনি তাঁকে খাবার পরিবেশন করছিলেন, সেই তরুণী (Waitress) জিয়ান্না ডি-অ্যাঞ্জেলোর সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানতে পারেন যে মেয়েটি নার্স হওয়ার জন্য পড়াশোনা চালাচ্ছে। তার খরচ জোগাড়ের জন্য এই রেস্তরাঁয় পার্টটাইমে কাজ করে। এরপরই হয়ত তিনি নিজের পরিকল্পনা ঠিক করে নিয়েছিলেন। খাওয়াদাওয়ার পর সেই ব্যক্তি চলে যাওয়ার পর জিয়ান্না আবিষ্কার করে, ২০৫ ডলারের বিল মেটাতে গিয়ে তিনি ৫০০০ ডলার টিপস দিয়েছেন! দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন জিয়ান্না। অবাক রেস্তরাঁর অন্যান্য কর্মী, মালিকও। তাঁরা সকলেই তৎক্ষণাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করে লেখেন – ‘ধন্যবাদ দেওয়ার ভাষা নেই।’ যা আপাতত ভাইরাল নেটদুনিয়ায়। লাইক, শেয়ারের বন্যা বয়ে গিয়েছে এই পোস্ট ঘিরে।

[আরও পড়ুন: চুরি করতে গিয়ে মন্দিরের ভিতরেই ঘুমিয়ে পড়ল শীতকাতুরে চোর! তারপর…]

যে তরুণী এত বড় আর্থিক সাহায্য পেয়েছে, সেই জিয়ান্নার কথায়, ”যে কোনও কিছুর চেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। এখনও ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না ব্যাপারটা। যাক, এই অর্থের কিছুটা আমি পড়াশোনার কাজে লাগাব। কলেজের ফি দেব। আর বাকিটা ইচ্ছে আছে, ভাল কোনও কাজে দান করার।” অর্থাৎ, সাহায্যকারীর পথেই হাঁটতে চান ভাবী নার্স। ক্রিসমাসের আগে এই দান মহৎ কাজ হিসেবেই দেখছেন মার্কিন নাগরিকরা। এভাবেই বোধহয় সান্তাক্লজরা লুকিয়ে থাকেন মানুষের মধ্যেই। তার অস্তিত্ব প্রতিফলিত হয় শুধু কাজের মধ্যে দিয়ে।

[আরও পড়ুন: রাস্তায়-রাস্তায় ঘুরে কান ভাড়া দেন এই যুবক! ব্যাপারটা কী?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.