১৬ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  শুক্রবার ৩ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

ফেসবুকে জুটি বেঁধেছেন উত্তম-সুচিত্রা, পাঠানো যাবে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্টও!

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 4, 2018 9:22 am|    Updated: September 17, 2019 12:50 pm

Uttam Kumar and Suchitra Sen are in Facebook

নব্যেন্দু হাজরা: সকালে ঘুম চোখ খুলেই ফেসবুক খোলা অভ্যেস। শনিবারও তাই করেছিল। কিন্তু! এ কী! তারপরই চক্ষু চড়কগাছ সায়কের। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন মহানায়ক উত্তমকুমার। বারবার চোখ কচলে দেখেও বিশ্বাস হয়নি চোদ্দ বছরের কিশোরের। এদিকে ভূত-প্রেতেও একটু আধটু বিশ্বাস আছে। তাহলে কি মহানায়কের আত্মা এসে তাঁর দিকে নজর দিল? কী বিপদ!

[বরফের উপর ‘ঘুমর’-এর জাদু ছড়ালেন প্রবাসী ভারতীয় সুন্দরী]

অগত্যা মোবাইল হাতে সটান মায়ের কাছে। মা সায়ন্তনী দাস এখনও মহানায়কের প্রেমে হাবুডুবু খান। শাহরুখ, রণবীর, শাহিদ কাপুরের পাশাপাশি উত্তম কুমারের সিনেমা হলেও টিভির সামনে থেকে নড়েন না। সেই স্বপ্নপূরণ ফেসবুকে! ছেলের মোবাইল স্ক্রিন দেখে তিনিও বিহ্বল-বিভ্রান্ত। যাই হোক, এ সুযোগ কী ছাড়া যায়! ছেলের বদলে মা নিজের প্রোফাইল থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিলেন উত্তম কুমারকে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে অ্যাক্সেপ্টও হল। এবং কিছুক্ষণের মধ্যে ফের চমক। সাজেস্টেড ফ্রেন্ড অপশানে ভেসে উঠল মহানায়িকার ছবি। মানে সুচিত্রা সেন! বিস্ময়ের ঘোর ঝেড়ে সুচিত্রাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালেন সায়ন্তনী। যদিও সঙ্গে সঙ্গে অনুরোধ গৃহীত হয়নি। কিন্তু এঁরা কারা? প্রশ্নের উত্তর পেতে সল্টলেকের ওই গৃহবধূ মেসেঞ্জারে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন মহানায়কের উদ্দেশে। যদি উত্তর আসে সেই আশায়। অনলাইন দেখেই প্রশ্ন করেন, আপনার প্রোফাইলটা কার? ভাল আছেন? উত্তর আসেনি। অথচ দিনের নির্দিষ্ট সময়েই অনলাইন হয় সেই প্রোফাইল।

[‘পদ্মাবত’ স্মৃতি উসকে পিছোল ‘অাইয়ারি’র মুক্তি, মিলল না সেন্সরের অনুমতি]

মেসেজ গেলে কখনও কখনও সিনও হয়। অথচ রিপলাই পাননি সায়ন্তনী। প্রোফাইল ডিপিতে মহানায়কের সহাস্য ছবি। দিনে অন্তত তিন চারবার করে উত্তম কুমারেরই নানা ছবির মুহূর্ত আপডেট করা হয়। উত্তমকুমার ফ্যান ক্লাবের এক সদস্যের কথায়, কারও কারও আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এখানে। মহানায়িকার নামেও খোলা হয়েছে প্রোফাইল। যেখানে নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে সুচিত্রা সেনের পুরনো ছবি, বিভিন্ন ভিডিও। তাঁর কোনও সিনেমার সংলাপের একাংশ। সেখানে রিকোয়েস্ট পাঠাতে গিয়ে অবশ্য হোঁচট খেয়েছেন সায়ন্তনী। কারণ কেউ মিউচ্যুয়াল ফ্রেন্ড না থাকলে মহানায়িকাকে আবার রিকোয়েস্ট পাঠানো যায় না। তাই ফলোয়ার হয়েই রয়ে গিয়েছেন। অন্তত মহানায়িকার আপডেটগুলো তো দেখতে পাবেন। সুচিত্রা সেন ফ্যান ক্লাবের এক সদস্য জানান, সাধারণ মানুষের মনের
মণিকোঠায় রয়েছেন মহানায়িকা। অনেকেরই ইচ্ছে করে, তাঁর বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি দেখতে। কিন্তু সব সময় তো আর টিভিতে তাঁর ছবি বা কোনও সিনেমার জনপ্রিয় ক্লিপিংস দেখা যায় না। তাই এই প্রোফাইল। একইসঙ্গে রয়েছে পেজও। সেই পেজেও প্রচুর সদস্য।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে