Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Video of baby unit posted on Facebook

ভিউয়ের লোভে ফেসবুকে বেবি ইউনিটের ভিডিও পোস্ট! ডিলিটের নির্দেশ দিয়ে কী বলল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ?

এবার বিতর্কে উত্তর ২৪ পরগনার গুমার ক্রিয়েটর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৭:১৬

options
link
ভিউয়ের লোভে ফেসবুকে বেবি ইউনিটের ভিডিও পোস্ট! ডিলিটের নির্দেশ দিয়ে কী বলল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? zoom
ভিউয়ের লোভে ফেসবুকে বেবি ইউনিটের ভিডিও পোস্ট! ডিলিটের নির্দেশ দিয়ে কী বলল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ?
Advertisement

ফেসবুকে সদ্যোজাত সন্তানকে নিয়ে করা রিল পোস্ট করে গত কয়েকদিন ধরেই প্রবল কটাক্ষের শিকার কন্টেন্ট ক্রিয়েটর দোলা পরমা দেবনাথ। শুধু নিজেদের ভিডিও পোস্ট করেই থামেননি তিনি। আপলোড করেছেন হাসপাতালের বেবি ইউনিটের ভিডিও। যেখানে ঘর ভর্তি একাধিক সদ্যোজাত। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই মুখ খুলল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই হাসপাতালের নির্দেশে ওই ক্রিয়েটর মূল পোস্টটি ডিলিট করেছেন। সদ্যোজাতদের নিরাপত্তাই হাসপাতালের মূল লক্ষ্য।

হাসপাতালের কেবিনে ক্রিয়েটর যুগল।

বিষয়টা ঠিক কী? দিন কয়েক আগে প্রসবের জন্য কলকাতার একটি নাম করা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন উত্তর ২৪ পরগনার গুমার বাসিন্দা দোলা পরমা দেবনাথ। তিনি পেশায় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। হাসপাতালে ভর্তি থেকে অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগে পর্যন্ত মোবাইল হাতে রিল শুট করেন তিনি। সামান্য সময়ের ব্যবধানে আপলোডও করা হয় সেই রিল। সন্তানজন্মের পর মা-কে বেডে দেওয়ার পরই ফের শুরু হয় রিল। সেই ভিডিওতে হাসপাতালে কাটানো প্রতিমুহূর্ত আমজনতার সামনে তুলে ধরা হয়। সেখানেই দেখা যায়, রোগীর কেবিনে ভর্তি পরিবারের সদস্য-বন্ধুবান্ধব। এমনকী রোগীর বেডেও বসেন কেউ কেউ! কমেন্ট বক্সে তা নিয়ে কটাক্ষ করেন অনেকে। 

Advertisement

তাঁরাই ফেসবুকে আপলোড করে বেবি ইউনিটের একটি ভিডিও। তা ভাইরাল হতেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সকলে। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হল, বিষয়টা নজরে পড়তেই তাঁদের তরফে যিনি ভিডিওটি পোস্ট করেছেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মূল পোস্টটি ডিলিট করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের কথায়, “সদ্যোজাতদের নিরাপত্তায় কোনও ঘাটতি হয়নি। ভিডিওটি ভিজিটিং আওয়ার্সে কাঁচের জানলার বাইরে থেকে রেকর্ড করা।” হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, নার্সারির বাইরে স্পষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে যে শিশুদের ছবি ও ভিডিও রেকর্ড নিষিদ্ধ। নিয়মগুলো কার্যকর করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়। এই ভিডিও পোস্টের ঘটনায় রোগী ও পরিবারের সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, শুধু সন্তান জন্মের দিন তিনেক পরই ওই ইনফ্লুয়েন্সারকে দেখা যায়, হাসপাতালের ঘরে দাঁড়িয়ে জামদানি শাড়ি-ব্লাউজে সাজগোজ করতে। তাও পোস্ট হয় ফেসবুকে। এরপরের ঘটনা আরও আশ্চর্যের। সিজারিয়ান সেকশনের চারদিনও পেরনোর আগেই বাড়ি ফেরার সময় গাড়ির ফ্রন্টসিটে বসে রাস্তার দোকান থেকে ম্যাগি কিনেও খেতে দেখা যায় দোলাকে! বাড়ি ফিরতেই  পরিবারের সদস্যরা রীতিমতো ব্যান্ডপার্টি-সমেত স্বাগত জানায় সদ্যোজাতকে। শিশুটির পা-ও ডোবানো হয় আলতায়। আর প্রতিমুহূর্তই রিল আকারে তুলে ধরা হয় সোশাল মিডিয়ায়। কারণ একটাই, মোটা টাকা উপার্জন।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.