সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাসির গল্পে যেমনটা লেখা হয়, বাস্তবেও যে তেমনটা ঘটতে পারে অনেকেই ভাবতে পারেন না। এবার হয়তো সেই ভাবনায় ইতি টানবেন। কারণ এই ঘটনায় বিয়ের আসরে বুড়ো-হাবড়া পাত্রকে দেখে মুর্ছা গেলেন তরুণী পাত্রী। ‘শুভদৃষ্টি’র সময়ই ঘটে গেল বিপর্যয়। এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। যা নিয়ে মশকরা শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যমে। সেটাই অবশ্য স্বাভাবিক। কারণ অভিনব বিবাহ অনুষ্ঠানের পাত্রীর বয়স হল ২০ বছর, পাত্রের বয়স বেশি না, পাত্রীর চেয়ে সাড়ে তিন গুণ বেশি। ৬৯ বছর। কবে, কোথায়, কখন হল এই বিয়ে?
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বাড়িতে আড়ম্বরহীন ভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান চলছে। উঠোনে চেয়ার পেতে বসে পাত্র, পাশের চেয়ারে পাত্রী। দুজনেরই মুখ ঢাকা। তাঁদের ঘিরে বসে আছেন আত্মীয়রা। হাসি-ঠাট্টার মধ্যেই ঘোমটা তোলেন যুবতী পাত্রী। তখনও অবধি সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু পাত্রও পাগড়িতে জুড়ে থাকা ঝালর সরাতেই চমক। প্রকাশ্যে আসে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের চেহারা। আর তা দেখেই জ্ঞান হারান পাত্রী। আরও একজন যুবকও পাত্রর চেহারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।
20 year old Muslim bride faints after her seeing face of her 69 year old husband. pic.twitter.com/KwDpGsWFsM
— Incognito (@Incognito_qfs) August 6, 2024
[আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা: অভিযুক্তদের জামিন দিতে পারবে নিম্ন আদালত, অনুমোদন সুপ্রিম কোর্টের]
সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এই ভিডিও। পোস্টের সঙ্গে ক্যাপশানে লেখা হয়েছে, ২০ বছর বয়সি কনে ৬৯ বছর বয়সি বরকে দেখে জ্ঞান হারালেন। ইতিমধ্যে ভিডিওটি পাঁচ লক্ষের বেশি মানুষ দেখে ফেলেছে। মজার সব মন্তব্যে ভরে উঠছে কমেন্টবক্স। এক নেটিজেনের দাবি, সম্ভবত বৃদ্ধ বরের কথা জানা ছিল না কনের, সেই কারণেই বিয়ের আসরে প্রথমবার দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। যদিও এই ঘটনা কোথায় কবে ঘটেছে, তা প্রকাশ্যে আসেনি।
[আরও পড়ুন: একাত্তরের পুনরাবৃত্তি নয়! শরণার্থীদের জন্য অবারিত দ্বার হতে ‘নারাজ’ দিল্লি]
সর্বশেষ খবর
-
ডার্বিতে শারীরিক যুদ্ধের চেয়েও বেশি মানসিক লড়াই, মগজাস্ত্রের মহারণ নিয়ে কলম ধরলেন ব্যারেটো
-
‘ভাত-ডালের আগেই গুলি খেতে হবে’, গুন্ডাদের ‘ঠান্ডা’ করতে বারুইপুর-দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলীপের
-
তৃণমূল আমলে হয়নি কোনও সংস্কার, কোচবিহারে লরি-সমেত আস্ত সেতু ভেঙে নদীতে!
-
সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে সফর, ভাড়া লাগবে না সঙ্গীরও! রাখির উপহার যোগীর
-
জনগণনায় পিছিয়ে নবাবের জেলা, মুর্শিদাবাদে ১৩ হাজারের মধ্যে কাজ শেষ মাত্র একুশটি ইউনিটে!