৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দশ বছরের আপাত সুখী দাম্পত্য। তিন সন্তানকে নিয়ে ভরন্ত সংসার। কিন্তু আচমকাই আদালতে গিয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ডিভোর্সের মামলা করলেন উত্তরপ্রদেশের মীরাটের এক বাসিন্দা৷ কিন্তু কেন? বিচ্ছেদের কারণ শুনে তাজ্জব বিচারক থেকে আইনজীবী প্রায় সকলেই৷ শেষে বিচ্ছেদের কারণ কি না লাড্ডু!

[আরও পড়ুন: ছবি তোলার হিড়িক, যুবকের ঘাড় কামড়ে ধরল ‘মৃত’ চিতা]

প্রায় দশ বছর আগে বিয়ে হয় উত্তরপ্রদেশের মীরাটের ওই বাসিন্দার৷ তিন সন্তানও রয়েছে ওই দম্পতির৷ বিয়ের প্রথম কয়েকবছর দিব্যি কেটেছে দু’জনের৷ কিন্তু গোল বেঁধেছে গত কয়েক বছরে৷ স্ত্রীর দাবি, ইদানীং নাকি একটু বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন স্বামী৷ তাঁর শারীরিক সমস্যা নিয়ে বেজায় চিন্তিত মহিলা৷ তবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার খুব একটা মন নেই৷ বরং রোগ সারাতে তান্ত্রিকের উপরই বেশি ভরসা রয়েছে তাঁর৷ তাই প্রায় প্রতিদিনই তান্ত্রিকের কাছে আনাগোনা লেগেই ছিল ওই মহিলার৷ তাঁর স্বামীর দাবি, দিবারাত্র শুধু লাড্ডুই খেতে দিচ্ছেন স্ত্রী৷ সকাল এবং সন্ধেয় মোট আটটি লাড্ডু খেয়েই দিন কাটছে তাঁর৷ তান্ত্রিকের কথা মেনে স্বামীকে অন্য কোনও খাবার দিতে চান না ওই মহিলা৷

বারবার স্ত্রীর কাছ থেকে খাবার চেয়েছেন ওই ব্যক্তি৷ কিন্তু তান্ত্রিকের কথা অমান্য করার মতো ঔদ্ধত্য নাকি তাঁর নেই, একথা বলেই স্বামীকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন ওই মহিলা৷এদিকে খিদের জ্বালায় প্রাণ ওষ্ঠাগত ওই ব্যক্তির৷ বাড়ির বাইরে বেরিয়ে বেশিরভাগ দিন নিজের পছন্দমতো খাবারদাবার খান তিনি৷ দিন যত যাচ্ছে, ততই স্ত্রীর তান্ত্রিকের প্রতি নির্ভরতায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন স্বামী৷ তাই বাধ্য হয়েই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন তিনি৷

[আরও পড়ুন: একহাতে ভেড়ার পাল, আরেক হাতে স্ত্রীকে প্রেমিকের কাছে সমর্পণ উত্তরপ্রদেশের ব্যক্তির]

বিচ্ছেদের কারণ শুনে অবাক হয়ে যান বিচারক থেকে আইনজীবী প্রায় সকলেই৷ শুধু লাড্ডু খেতে দেওয়ার জন্য যে কারও বিবাহবিচ্ছেদ হতে পারে, তা আগে শোনেননি কেউই৷ আদালতের তরফে ওই দম্পতির সঙ্গে কথাও বলা হয়৷ তবে আদালত কর্তৃপক্ষের দাবি, মহিলা এতটাই কুসংস্কারাচ্ছন্ন যে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে স্বামীকে ছাড়তে পারেন তবে তান্ত্রিকের কথা অমান্য করতে পারবেন না৷ তাই দাম্পত্য সম্পর্ক বাঁচানোর যে আর কোনও পথ নেই তা বলাই যায়৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং