Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Investment

স্বল্প সময়ের আমানতে আগ্রহী? তালিকায় থাকুক এই সব ডেট ফান্ড

বর্তমানে যাঁরা স্বল্প সময়ের আমানত খুঁজছেন, তাঁরা তিন-চার ধরনের শর্ট টার্ম ডেট ফান্ডের কথা ভাবতে পারেন। বিনিয়োগকারীরা যা সাধারণত পেতে চান, তার অনেকটাই পাবেন তাঁরা এই জাতীয় প্রকল্পে। কিছুটা হলেও নিরাপত্তা পাবেন, তার সঙ্গে থাকবে লিকুইডিটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৬, ১৮:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৬, ১৮:৩৩

options
link
স্বল্প সময়ের আমানতে আগ্রহী? তালিকায় থাকুক এই সব ডেট ফান্ড zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

কীভাবে শর্ট টার্ম ডেট ফান্ড ব্যবহার করবেন সাধারণ মানুষ? বিশেষ করে যাঁরা স্বল্পমেয়াদী টাকা সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা ফিক্সড ডিপোজিট করতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন? এই ধরনের ডেট প্রকল্প কীভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে? টিম সঞ্চয়ের আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু এটাই।

বর্তমানে যাঁরা স্বল্প সময়ের আমানত খুঁজছেন, তাঁরা তিন-চার ধরনের শর্ট টার্ম ডেট ফান্ডের কথা ভাবতে পারেন। বিনিয়োগকারীরা যা সাধারণত পেতে চান, তার অনেকটাই পাবেন তাঁরা এই জাতীয় প্রকল্পে। কিছুটা হলেও নিরাপত্তা পাবেন, তার সঙ্গে থাকবে লিকুইডিটি। ইনকাম জেনেরেশন হবে, তবে তা বেশি নয়। যে ধরনের নামগুলো প্রথমেই আসে :
* এক, ওভারনাইট ফান্ড
* দুই, লিকুইড ফান্ড
* তিন, আল্ট্রা-শর্ট ডিউরেশন ফান্ড

Advertisement

উদ্বৃত্ত অর্থ বা সারপ্লাস যদি সাময়িকভাবে রাখার কথা ভাবেন, তাহলে ডেট-ভিত্তিক প্রকল্প বেশ কার্যকর এক বিকল্প। সাধারণভাবে কয়েক দিন বা কয়েক মাসের জন্য আপনার সারপ্লাস এখানে বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে এগুলো যেমন সুবিধাজনক, তেমন কিছু ঝুঁকিও আছে, তাই বিনিয়োগের আগে এর সুবিধা ও অসুবিধা, দু’দিকই বোঝা জরুরি।

  • লিকুইড ফান্ড মূলত খুব স্বল্প-মেয়াদি মানি মার্কেট ইন্সট্রুমেন্টে বিনিয়োগ করে। এর মধ্যে থাকে ট্রেজারি বিল, কমার্শিয়াল পেপার, সার্টিফিকেট অফ ডিপোজিট এবং অতি স্বল্প-মেয়াদি কর্পোরেট ঋণপত্র।
  • যেহেতু এই সব বিনিয়োগের মেয়াদ কম, তাই দীর্ঘ-মেয়াদি বন্ড ফান্ডের তুলনায় সুদের হারের ওঠানামার প্রভাবও তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
  • এই ধরনের ফান্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল লিকুইডিটি। সাধারণত একটা business day-র মধ্যেই ইনভেস্টর নিজের টাকা তুলে নিতে (মানে রিডিম করতে) পারেন। উল্লেখ্য, ফান্ড হাউস আবার নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট রিডেম্পশনের সুবিধাও দেয়। ফলে জরুরি তহবিল, ব্যবসার নগদ অর্থ অথবা স্টক মার্কেটে বিনিয়োগের অপেক্ষায় থাকা টাকা রাখার জন্য এগুলো উপযোগী।
  •  আরও এক বড় আকর্ষণ হল সম্ভাব্য রিটার্ন। তবে কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়ার প্রশ্ন নেই। সেভিংস অ্যাকাউন্টে বড়সড় পরিমাণের টাকা ফেলে রাখবেন না। তার বদলে লিকুইড ফান্ডে রাখলে অনেক সময় তুলনামূলক ভাবে কিছুটা আয় বাড়তে পারে। তবে এমন ঋণ-ভিত্তিক ফান্ডের ক্ষেত্রে ইনকাম ট্যাক্সের চালু ও সাম্প্রতিক নিয়ম জেনে নেবেন।

লিকুইড ফান্ড নিয়ে দু’চার কথা

দেখা গিয়েছে যে লিকুইড ফান্ড ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ইনভেস্টরদের খুব কাজে লাগে। কয়েক সপ্তাহের টাকা কারেন্ট অ্যাকাউন্টে না রেখে, এই জাতীয় প্রকল্পে রাখা ভাল, এমনই বলা হয়। কোনও স্বল্প-মেয়াদি ঋণপত্রে বিনিয়োগ করা হবে, কতটা ঝুঁকি নেওয়া হবে এবং লিকুইডিটি কী করে বজায় রাখা হবে–এ সবই ফান্ড ম্যানেজার বুঝে নেন।

সুদের হার ও মানি মার্কেটের পরিস্থিতি বদলালে এমন পেশাদার ব্যবস্থাপনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। পোর্টফোলিও পরিকল্পনার ক্ষেত্রে স্বল্প-মেয়াদি ডেটের ভূমিকা আছে।

এ ছাড়াও বাজারে অনিশ্চয়তা থাকলে অনেক বিনিয়োগকারী সাময়িকভাবে নিজেদের টাকা লিকুইড (বা আল্ট্রা-শর্ট) ফান্ডে সরিয়ে রাখেন। আবার অনেক সময় সিস্টেম্যাটিক ট্রান্সফার প্ল্যান (STP) ব্যবহার করে প্রথমে লিকুইড ফান্ডে আর তার পরে ধীরে ধীরে ইকুইটি ফান্ডে সরিয়ে দেওয়া যেতে পারে।

রিস্ক আছে কী?

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা উচিত। লিকুইড ফান্ড কিন্তু ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের মতো নয়, তার মানে জানাশোনা হারে রিটার্ন দেয় না। এগুলো একেবারেই মার্কেটের সঙ্গে জড়িত। তার ফলে রিটার্ন নিশ্চিত নয়, এবং সামান্য হলেও ঝুঁকি থাকে।

একটা বড় ঝুঁকি ‘ক্রেডিট রিস্ক’, যা টিম সঞ্চয় বারে বারেই জানিয়েছে। যদি কোনও ফান্ড কম রেটিংযুক্ত ঋণপত্রে বিনিয়োগ করে (এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা আর্থিক সমস্যায় পড়ে), তাহলে ফান্ডের অসুবিধা হবে।

আমাদের দেশে মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু পরিস্থিতি দেখেছি, যেখানে দুর্বল কর্পোরেট ঋণপত্রের কারণে ডেট ফান্ডে চাপ তৈরি হয়েছিল। তাই সামান্য বেশি রিটার্নের আশায় নিম্ন মানের (poor quality) ডেট নেওয়া উচিত নয়।

সাধারণ ভাবে সুদের হারের ওঠানামাও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু লিকুইড ফান্ডে এই প্রভাব দীর্ঘ-মেয়াদি বন্ড ফান্ডের তুলনায় কম। তবুও বলা দরকার যে সুদের হার বাড়লে (বা বাজারে লিকুইডিটি সংক্রান্ত সংকট দেখা দিলে) রিটার্নে সাময়িক চাপ আসতে পারে। বিশেষ করে আল্ট্রা-শর্ট ফান্ডের ভ্যালুয়েশন কিছুটা বেশি ওঠানামা করতে পারে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.