আমাদের এই বিভাগে আলোচনা হবে হালে আসা কোনও প্রকল্প সম্বন্ধে। তা হতে পারে এনএফও বা নয়া ধরনের ইনসিওরেন্স প্ল্যান বা আইপিও। নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে আগ্রহ থাকেই ইনভেস্টরদের। তাঁদের কৌতূহল মেটাবে ‘উঠতি তারা’। এবারের বিষয় নিফটি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কস অ্যান্ড মাইক্রোফিনান্স ইন্সস্টিটিউশনস ইনডেক্স
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ তথা এনএসই এনেছে নতুন একটি ইনডেক্স। নিফটি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কস অ্যান্ড মাইক্রোফিনান্স ইন্সস্টিটিউশনস ইনডেক্সের বৈশিষ্ট্যগুলি সংকলন করল টিম সঞ্চয়
আরও পড়ুন:
এ বারের উঠতি তারা একটি নতুন ইনডেক্স, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে যা নিয়ে এসেছে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ। আধুনিক ভারতের আর্থিক ব্যবস্থার পরিধি যে ভাবে বাড়ছে, তা ভাল করে বোঝার জন্য ইনভেস্টররা এই সূচকের উপর নজর রাখতে পারেন-Nifty Small Finance Banks and Microfinance Institutions Index |
শুধু বড় প্লেয়ার নয়, এখনকার ব্যাঙ্কিং ও ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস ক্ষেত্রটিতে আছে একগুচ্ছ ছোট সংস্থা। ক্ষুদ্র ব্যবসাকে লোন দিয়ে, অনেক নিম্ন-আয়ের পরিবারকে সচল রেখে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়িয়ে এই ধরনের সংস্থাগুলি ইদানিং নজর কেড়েছে। এরই পরিপ্রক্ষিতে নতুন আসা Nifty Small Finance Banks & Microfinance Institutions Index আজ এক বিশেষ ভূমিকায়।
এই thematic index NSE-তে তালিকাভুক্ত স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ক এবং মাইক্রোফিনান্স প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে লিকুইড স্টকগুলির পারফরম্যান্স একটি সূচকের মাধ্যমে ধরছে। এখানে base date ৩১ মার্চ ২০২১ এবং base value ১,০০০। এটি কেন আজকের পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ?ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের ক্ষেত্রে নতুন ধরনের ব্যবসাগুলি ভবিষ্যতে ভাল করবে, এমনই আশা করেন বিনিয়োগকারীরা। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আর ‘ফরমাল ক্রেডিট’। ছোট ঋণের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথাও এই প্রসঙ্গে বলা উচিত। এই জাতীয় ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস ব্যবসার credit cycle, asset quality ও borrower behaviour সম্পর্কে আলাদাভাবে উল্লেখ করা যায়। এই নতুন সূচকে রয়েছে ১০টি স্টক। এখানে free-float market capitali sation অনুযায়ী ওয়েটেজ নির্ধারিত হয়, তবে কোনও একটি শেয়ারের সর্বোচ্চ ওয়েটেজ সাধারণত ১৫ শতাংশের বেশি হবে না।
Ujjivan Small Finance Bank ১৭.২৮% দেখানো হলেও এক্সচেঞ্জ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৫% ক্যাপের কথা বলা যায়। তাই বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট তারিখের official constituent file দেখে নেওয়া জরুরি।
সূচকটি ছয় মাস অন্তর নতুন ভাবে গঠিত হয়, এবং ত্রৈমাসিক রিব্যালান্স করা হয়। প্রথম পাঁচটি শেয়ারে সম্মিলিতভাবে প্রায় ৭৪.৯% ওয়েটেজ আছে। খুব বেশি ডাইভারসিফিকেশন নেই এই তালিকায়। তবু সাধারণ ইনভেস্টরের নজরে সূচকটি থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি। কারণ এটি শুধু আর একটি ইনডেক্স নয়, ভারতের অর্থনৈতিক রূপান্তরের ছবিটি বেশ স্পষ্ট ভাবে ধরা পড়ে এর মাধ্যমেই।
আগামী দিনে এর ভিত্তিতে নানা ধরনের প্যাসিভফান্ড, ETF বা অন্য ইনভেস্টমেন্ট প্রকল্প চলে এলে এই সূচকের গুরুত্ব আরও বাড়তে পারে।
কয়েকটি পয়েন্ট:
* পাঁচ বছরে রিটার্ন: ৮.২৮%
* প্রাইস টু বুক রেশিও: ১.৭১
* প্রাইস আর্নিংস রেশিও: ৭৩.৪৪
সর্বশেষ খবর
-
‘গুমঘরে’ শাস্তিভোগে ইতি, এবার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন ইমরান! পাবেন সংবাদপত্র-বই, নির্দেশ পাক আদালতের
-
হার্দিক কেকেআরের পথে! মুম্বইয়ের নেতৃত্বে ফের রোহিত? চর্চায় আরও দুই তারকার নাম
-
ডেঙ্গু সারাতে বাংলার ভরসা উত্তরপ্রদেশের ‘কুণাল’, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ওষুধের মান
-
হাইওয়ে জুড়েই খাওয়াদাওয়া, পিকনিক! ভাইরাল ভিডিও জুড়ে রাজস্থানে বিতর্ক তুঙ্গে
-
মোদির সঙ্গে কোলাকুলি, তবে এসসিও-তে শাহবাজকে পাত্তাই দিলেন না পুতিন! কী করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী?