সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডলারের নিরিখে হু হু করে নামছিল দাম। এবার ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য এসে পৌঁছল ৯০ টাকায়! টাকার দরে পতনের এটাই সর্বকালীন রেকর্ড। গতকাল সোমবার মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার দাম ছিল ৮৯.৭৩ টাকা। মঙ্গলবার তা দাঁড়ায় ৮৯.৭৫ টাকায়। পরে ০.১ শতাংশ কমে দিনের শেষে নেমে আসে ৮৯.৫৫ টাকায়। কিন্তু বুধবার ফের তা ৯০ পেরিয়ে গেল!
কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এর পিছনে রয়েছে নানা ফ্যাক্টর। যার মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি অন্যতম। এর পাশাপাশি ট্রাম্পের চাপানো শুল্কের চাপও রয়েছে। একদিকে রপ্তানি কমেছে। অন্যদিকে ধাক্কা খেয়েছে উৎপাদন ক্ষেত্র। তৈরি হয়েছে একটা অনিশ্চয়তার বাতাবরণ। ফলে একদিকে যেমন শক্তিশালী হয়েছে ডলার, অন্যদিকে তেমনই মুখ থুবড়ে পড়েছে টাকা। বলাই বাহুল্য, আর বিরাট প্রভাব পড়ছে দেশীয় অর্থনীতির উপর। বৈশ্বিক পরিস্থিতি সহজ না হওয়া পর্যন্ত এই অস্থিরতা চলবে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞ মহলের।
আসলে আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই মার্কিন শেয়ার বাজার চাঙ্গা হতে শুরু করে। আর তারই প্রভাবে টাকার দাম পড়তে শুরু করে। ক্রমেই আরও নিম্নমুখী হয়েছে টাকা। এই পরিস্থিতিতে চলছে রাজনৈতিক বিতণ্ডাও। বিরোধীরা এই পতনের পিছনে মোদি সরকারের ‘ব্যর্থতা’ দেখছে।
প্রসঙ্গত, কেবল টাকা নয়, এশীয় মুদ্রাগুলির অবস্থা সব মিলিয়ে খারাপই। ডলারের সামনে ফিলিপিন্সের পেশো, ভিয়েতনামের ডং, ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াও বেকায়দায় পড়েছে। খারাপ হাল বাংলাদেশের মুদ্রারও। তবে এরই মধ্যে কিছুটা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে চিনের মুদ্রা, তাইল্যান্ডের ভাট ইত্যাদি। সব মিলিয়ে এশীয় বাজারে এই মুহূর্তে সবচেয়ে চাপে ভারতীয় মুদ্রাই।
সর্বশেষ খবর
-
দাউদ ইব্রাহিমের হাড়হিম হুমকি, ‘তোর খেলা শেষ’, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত
-
ভেঙে খানখান সাধের দল! ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে জনে জনে ফোন করছেন মমতা
-
গেট খুললেই জুতোর বাড়ি! প্রতারণার অভিযোগে দুর্গাপুরে তৃণমূলের নেতার বাড়ির সামনে ধরনা
-
অতি ঘনিষ্ঠতাতেই ভাঙছে সেতু! সম্পর্ক বাঁচাতে দূরত্ব প্রয়োজন, বলছেন মনোবিদরা
-
একমাসে দু’বার মাইনে! অভিনব আইডিয়া উদ্যোগপতির, কতটা উপকৃত হবেন কর্মীরা?