মিড বা স্মল নয়। লার্জ ক্যাপই কি আপনার পছন্দ? তাহলে অবলীলায় সেই পথই বেছে নিন না! বাজারের ট্রেন্ড বলছে, এই মুহূর্তে লার্জ ক্যাপে লগ্নির বহর বাড়ছে। শুধু এগোনোর আগে চোখ রাখুন টিম সঞ্চয়-এর এই তথ্যবহুল লেখায়
কেবলমাত্র লার্জ ক্যাপে লগ্নি করতে চান অনেকে। কারণও সহজবোধ্য। মিড এবং স্মল ক্যাপে বিনিয়োগ, সেখানে অনিশ্চয়তা প্রবল। তাঁদের কাছে তা তাই সেভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো তাঁরা এড়িয়ে চলতেই চান। লার্জ ক্যাপই সেখানে একমাত্র সুষ্ঠু বিকল্প। এবং এভাবেই এই মূহুর্তে লার্জ ক্যাপে লগ্নির পরিমাণ বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে। স্মল ও মিড ক্যাপে প্রফিট বুকিং করে লার্জ ক্যাপে লগ্নি এগিয়ে যাচ্ছে এই সুবাদেই। এমন অবস্থায় কী ভাবছেন পেশাদাররা, কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন, এই নিয়েই এবারের আলোচনা।
[আরও পড়ুন: লগ্নি করুন বাজারের গতি বুঝে, সঠিক পথ জেনে নিন বিশেষজ্ঞের থেকে]
১. পোর্টফোলিওতে রাখুন দেশের সবচেয়ে বড় (ক্যাপিটালাইজেশনের নিরিখে) কোম্পানিগুলির স্টক। নিজেদের সেক্টরে ‘মার্কেট লিডার’ এই সব সংস্থাই।
২. গ্রোথ যদি চান তাহলে অনেকেই এই ‘মেগা ক্যাপ’ স্টক পছন্দ করবেন আগামিদিনে এমন ভাবনাও আছে বাজারের কোণে কোণে। বড় মাপের ভ্যালুয়েশন পেতে হলে তাঁরা এই জাতীয় কোম্পানির শেয়ারে বিশ্বাস রাখেন।
৩. এটা পরিষ্কার যে, অন্তত তিন থেকে পাঁচ বছর ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ চালু রাখলে ভালো রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা হবে বলে বিশ্বাস করেন পেশাদাররা।
৪. লার্জ ক্যাপ স্টকে যাঁরা সরাসরি লগ্নি করেন, তাঁদের মতে এই শ্রেণির স্টকে ‘স্টেবিলিটি’ বেশ যথেষ্ট থাকে। আর তাই তুলনায় অনিশ্চয়তার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। অন্ততপক্ষে মিড এবং স্মল ক্যাপের তুলনায় তো বটেই।
৫. সঙ্গের চার্টে নানা সেক্টর থেকে বেছে নেওয়া লার্জ ক্যাপ স্টক রইল। এগুলো এই মুহূর্তে জনপ্রিয়তার নিরিখে অনেকটাই এগিয়ে।

বিভিন্ন অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার লার্জ ক্যাপ ফান্ড এখন কিনতে পারেন ইনভেস্টররা, বিশেষত যাঁরা দীর্ঘ মেয়াদে বড় মাপের তহবিল গঠন করতে ইচ্ছুক। সম্পূর্ণ পক্ষপাতছাড়া উদাহরণ হিসাবে নিয়েছি আমরা JM Large Cap Fund। সঙ্গের পয়েন্টগুলো দেখুন।
১.ক্যাপিটাল গ্রোথ আনা, এই ফান্ডের প্রধান লক্ষ্য।
২.ওপেন-এন্ড, যখন চাইবেন ইউনিট বিক্রি করতে পারেন লগ্নিকারী।
[আরও পড়ুন: মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে শুধু আয় নয়, ঝুঁকির কথাও মাথায় রাখুন]
মার্চ মাসের থেকে পোর্টফোলিওর বিন্যাস ছিল এই রকম–
ক) ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস : ২৪.০২%
খ) অটো/অটো কম্পোনেন্টস : ১০.৯৪%
গ) ইনফোটেক : ১০.৪৭%
ঘ) কনস্ট্রাকশন : ৯.৭৭%
ঙ) পাওয়ার : ৮.৬৭%
মূল পাঁচটি বড় অ্যালোকেশনের কথাই কেবল বলা হল। প্রথম পাঁঁচটি স্টক : এল অ্যান্ড টি, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটিসি এবং ইনফোসিস। এছাড়াও একাধিক ব্যাঙ্ক, এনার্জি, ইনফোটেক কোম্পানির স্টকে বিশ্বাস রেখেছেন ফান্ড ম্যানেজার।
কী রকম পারফরম্যান্স এনেছে JM-এর এই ফান্ডটি?
সঙ্গের চার্ট দেখুন।


সর্বশেষ খবর
-
১৯৯০ থেকে বেপাত্তা সেনা জওয়ান স্বামী, ৩৬ বছর পর অপহরণের অভিযোগ দায়ের স্ত্রীর!
-
ফের ইন্ডিগোর বিমানে বিপত্তি, এবার বেঙ্গালুরুতে অবতরণের সময় লেজে আঘাত! কেমন আছেন যাত্রীরা?
-
আপাতত স্থগিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, বৈঠকে রফাসূত্র মিলতেই ঘোষণা কর্মী সংগঠনের, স্বস্তিতে আমজনতা
-
আরটিআইয়ের বাইরে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, নির্দেশিকা জারি করেও বাতিল, বিরোধিতার মুখে পিছু হটলেন বিজয়
-
দর্শকদের না-পসন্দ! এবার ‘বিস বস বাংলা’ থেকে ছিটকে গেলেন তাপসকন্যা সোহিনী