Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Personal Finance

লগ্নি করুন এলআইসি মাল্টি অ্যাসেট অ্যালোকেশন ফান্ডে, রইল খুঁটিনাটি

বিভিন্ন অ‌্যাসেট ক্লাস বিভিন্ন সময়ে ভালো পারফর্ম‌্যান্স আনতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৫, ১৮:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৫, ১৮:০৮

options
link
লগ্নি করুন এলআইসি মাল্টি অ্যাসেট অ্যালোকেশন ফান্ডে, রইল খুঁটিনাটি zoom
প্রতীকী ছবি
দীর্ঘ সময় ধরে লগ্নিকারীদের কাছে ভরসার অপর নাম এলআইসি। সেই এলআইসির মাল্টি অ‌্যাসেট অ‌্যালোকেশন ফান্ড বর্তমানে লগ্নিমহলে চর্চার এবং আগ্রহের বিষয়। কেন, তা তথ‌্য দিয়ে আলোচনা করল টিম সঞ্চয়
 
এনএফও হিসাবে সম্প্রতি আবির্ভূত মাল্টি অ‌্যাসেট ফান্ডটি ইক্যুইটি, ডেট এবং গোল্ডে বিনিয়োগ করবে। এলআইসি অ‌্যাসেট ম‌্যানেজমেন্ট কোম্পানির সর্বশেষ অফার আবার সেল এবং রিপারচেজের জন‌্য খুলবে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি।
কয়েকটি বৈশিষ্ট‌্য : 
ক। ওপেন-এন্ড ফান্ড, যে কোনও বিজনেস ডে’তে এন্ট্রি এবং এক্সিট নিতে পারেন বিনিয়োগকারী
খ। রিস্কের মাত্রা : ভেরি হাই
গ। বেঞ্চমার্ক : 65% Nifty 500 Total Return Index
    25% Nifty Composite Debt Index
    10% Price of Domestic Gold
প্রকল্পের উদ্দেশ‌্য : দীর্ঘমেয়াদী ক‌্যাপিটাল অ‌্যাপ্রিসিয়েশন 
 
কেন মাল্টি অ‌্যাসেট অ্যালোকেশন জরুরি?
 
এলআইসি অ‌্যাসেট ম‌্যানেজমেন্টের মতে, বিভিন্ন অ‌্যাসেট ক্লাস বিভিন্ন সময়ে ভালো পারফর্ম‌্যান্স আনতে পারে। এবং অতীতেও তা দেখা গেছে অনেকবার। গত ১৫ বছরের হিসাব পরখ করলে বোঝা যাবে ইক্যুইটি প্রধান ভূমিকায় থেকেছে ৬ বার, গোল্ড প্রাধান‌্য পেয়েছে ৭ বার এবং ডেটের প্রয়োজনীয়তা বোঝা গিয়েছে ২ বার। এই বিশেষ ‌অ‌্যালোকেশনের কৌশলে সংশ্লিষ্ট ফান্ড ম‌্যানেজার লক্ষ‌্য হবে “অপটিমাম অ‌্যালোকেশন”, যাতে রিটার্ন যথাযথ হতে পারে। নানা জাতীয় অ‌্যাসেটে লগ্নি করলে ভোলাটিলিটির পরিমাণ কম হবে, এমনই আশা করেন কর্তৃপক্ষ। রিস্ক-অ‌্যাডজাস্টেড রিটার্ন পাওয়ার লক্ষ্যে ইনভেস্টমেন্টের সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
 
ক। অন্তত ৩-৪ বছরের হরাইজন থাকলে ভালো হয়। তবে মধ‌্য/দীর্ঘ মেয়াদের কথা ভেবেই বিনিয়োগ করা উচিত হবে।
খ। এখানে ইক্যুইটি ট‌্যাক্সেশনের নিয়ম প্রযোজ‌্য হবে।
গ। বিভিন্ন অ‌্যাসেট ক্লাসের মাধ‌্যমে ডাইভারসিফিকেশন আনা হবে।
 
সাধারণভাবে কেমন হবে লগ্নির স্ট্র‌্যাটেজি?
 
১। যদি অ‌্যালটমেন্টের তিন মাসের মধ্যে রিডিম অথবা সুইচ করা হয়, তাহলে ১২% ইউনিট পর্যন্ত কোনও লোড ধার্য করা হবে না। বাকি ৮৮% ইউনিটের উপর ১% লোড হবে।
২। যদি তিন মাস পরে বিক্রি (বা সুইচ) করা হয়, তাহলে কোনও লোড ধার্য করা হবে না।
 
নূ‌ন্যতম লগ্নি
ক। লাম্পসাম (এককালীন) : ৫,০০০ টাকা
খ। সিপ : ডেলি হলে ১০০ টাকা 
গ। মান্থলি হলে ২০০ টাকা
ঘ। কোয়াটারলি হলে ১,০০০ টাকা
উল্লেখ‌্য : সিপ শুরু করার সময় রি-ওপেনিং ডেটের পরবর্তী পর্যায় যে কোনও দিন, অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারির পর।
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.