BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

পুজো শেষের কার্নিভ্যাল, বিদায়বেলাতেও রেড রোডের মেগা শো ঘিরে খুশির ছোঁয়া

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 11, 2019 9:00 pm|    Updated: October 11, 2019 9:53 pm

Durga Puja 2019: Ends with colourful exhibiton at Puja Carnival

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রস্তুতি সারাই ছিল। অপেক্ষা ছিল মঞ্চে চমকের। নির্ধারিত সময়েই সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল। রেড রোডে দুর্গাপুজোর মেগা কার্নিভ্যাল শুরু হয়ে গেল ঘড়ির কাঁটা চারটে পেরনোর কয়েক সেকেন্ড পরেই। বিশ্ববাংলার বিচারে কলকাতার সেরা পুজোর তকমা পাওয়া ৮০ টি কমিটিই নিজেদের শিল্প নিয়ে একে একে উপস্থিত হয়। প্রতিমার প্রদর্শনের পাশাপাশি ‘রাঙামাটির বাংলা’ মঞ্চে বঙ্গ সংস্কৃতির উপস্থাপনা। আর তাতেই বিস্ময়াবিষ্ট বিদেশি অতিথিরা।

[আরও পড়ুন: ৫১ কুমারীর পুজো, ত্রয়োদশীর বিশেষ রীতিই রাজ্যের এই সতীপীঠের মূল আকর্ষণ]

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার এরাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে আর চার-পাঁচদিনে সীমাবদ্ধ রাখেনি। বরং উৎসবকে ব্যপ্ত করে দিয়েছেন সময় এবং আয়োজনের নিরিখে। তাই সূচনালগ্নও যেমন এগিয়ে এসেছে, তেমনই বিসর্জনের বিষাদ ঢাকতে বছর কয়েক ধরে মুখ্যমন্ত্রীর এই কার্নিভ্যালের আয়োজন। শহরের সেরার সেরা পুজোকমিটিগুলির প্রতিমা রেড রোড ধরে একে একে এগিয়ে যাবে ঘাটের দিকে। পথের দু ধারে বসে সেই দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন সাধারণ দর্শকও। আর এক দিনেই এই সমস্ত পুজোর একসঙ্গে স্বচক্ষে দেখবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তাই প্রতি বছর পুজো শেষে এই কার্নিভ্যালের প্রতি একটা বাড়তি আকর্ষণ তৈরি হয়েছে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মানুষজনের। এ যেন ‘শেষ হয়েও হইল না শেষ’।

carnival2

এবছরও তার ব্যতিক্রম হল না। পূর্বঘোষণা মতো শুক্রবার বিকেলেই রেড রোড মেতে উঠল পুজো কার্নিভ্যালে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এবারের কার্নিভ্যালটি সাজাতে চেয়েছেন বাংলার লোকসংস্কৃতিক আদলে। তাই মঞ্চটি পুরোপুরি তৈরি হয়েছে বিষ্ণুপুরের টেরাকোটা স্থাপত্য দিয়ে। এবারের থিমের নামও তিনি রেখেছেন – রাঙামাটির বাংলা। লোকসংগীত ও লোকনৃত্য শিল্পীদের এবার বাড়তি কদর। প্রতিমা প্রদর্শনীকে আরও রঙিন করতে ছিল তাঁদের পারফরম্যান্স।

carnival1
বিগ বাজেটের সমস্ত পুজো তো বটেই, এছাড়া কলকাতা সংলগ্ন আশেপাশের তথাকথিত অনামী অথচ ভিন্নধরনের শৈল্পিক প্রকাশ ঘটানো পুজোগুলিও এবারের কার্নিভ্যালে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। চেতলা অগ্রণী, সুরুচি সংঘ, ভবানীপুর ৭৫ পল্লি, হিন্দুস্তান পার্ক সর্বজনীনর পাশাপাশি বারুইপুর পদ্মপুকুর দুর্গোৎসব কমিটি, বেলঘরিয়ার মানসবার্গ সর্বজনীন, বরানগর নেতাজি কলোনি লোল্যান্ডের মতো পুজোও সকলে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন এই রেড রোডে বসে। প্রতিটি পুজো কমিটির জন্য ৩ মিনিট করে সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যেই তাঁরা নিজেদের যাবতীয় প্রদর্শনী শেষ করবে। কার্নিভ্যাল শেষে সমস্ত প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বাবুঘাটে।

[আরও পড়ুন: ‘বিতর্কে কিছু যায় আসে না’, বিয়ের পর প্রথমবার সিঁদুর খেলে জবাব নুসরতের]

মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও দর্শকাসনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল, বিদেশি অতিথিরা, বিনোদন জগতের তারকারা।তাই নিজেদের উপস্থাপনাকে সর্বাঙ্গীন সুন্দর করতে তুলতে মরিয়া সমস্ত পুজোকমিটিই। সূত্রের খবর, কার্নিভ্যাল শেষে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন রাজ্যপাল। জানালেন, এমন অভূতপূর্ব আয়োজন তিনি আগে দেখেননি। এও যেন এক অলিখিত প্রতিযোগিতা। এক দুর্গোৎসব শেষে আরেকটির জন্য এক বছরের অপেক্ষার মাঝে এই রেশটুকুই যা রয়ে যায়।

carnival3

দেখুন কার্নিভ্যালের ভিডিও: 

ছবি: পিন্টু প্রধান।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে