২৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নবেন্দু ঘোষ, বসিরহাট: দুর্গাপুজোয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ জড়ো হন বসিরহাটে। ঠিক তেমনই কালীপুজোতে মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে হাসনাবাদ। কারণ, হাসনাবাদ মানেই কালীপুজোর রমরমা। খুব কম দূরত্বের মধ্যে একাধিক পুজোর আয়োজন করা হয় এই এলাকায়। হাসনাবাদের পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম দেবীর মোড়ের “লস্কর নগর চৌরঙ্গি মোড় ব্যবসায়ী সমিতি”র পুজো।

এ বছর ২৩ বছরে পদাপর্ণ করল এই পুজো। এবারের থিম “অ্যাপাচি আদিবাসী” অর্থাৎ পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করতেই দর্শনার্থীদের মনে হবে যে, তাঁরা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন। এই মণ্ডপ তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৫ লক্ষ টাকা। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুরের কাঁথির অজয় দাসের হাতে তৈরি হয়েছে এই মণ্ডপ। শিল্পী জানিয়েছেন, নাইজেরিয়ার এক আদিবাসী জনগোষ্ঠী যেভাবে নিজস্ব ধর্মীয় রীতি নীতি মেনে তাঁদের দেব-দেবীর পুজো করেন সেটাই বিভিন্ন ফাইবারের মডেলের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই মণ্ডপে। তার সাঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মাতৃ প্রতিমাও তৈরি হয়েছে।

BASIRHAT

এই এলাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পুজো হল হাসনাবাদ রেলগেট সংলগ্ন “ইছামতি সংস্কৃতিক সংঘ”র পুজো। এবছর ৪০ তম বর্ষে পা দিলো এই পুজো। এদের এবারের থিম “কফি হাউস” অর্থাৎ এবার ইছামতি ক্লাবে ঠাকুর দেখতে এলে দর্শকরা দেখতে পাবেন এক টুকরো কফি হাউস। মান্না দের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে বিখ্যাত গায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই ভাবনা, এমনটাই জানিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। জানা গিয়েছে, এবছর এই মণ্ডপের ব্যাকগ্রাউন্ডে শুধুই বাজবে মান্না দের গাওয়া ‘কফি হাউস’ গানটা। ক্লাবের সম্পাদক অমল সিং জানান, “প্রত্যেক বছর কালীপুজো উপলক্ষে থিমের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। যা দেখতে বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ভিড় জমান। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।”

অন্যদিকে, শান্তির বার্তা দিতে সেজে উঠেছে হাসনাবাদ থানার পাশের সুভাষ সংঘের মণ্ডপ। জানা গিয়েছে, গোটা মণ্ডপটাই একটা বড় পদ্ম ফুলের মতো। যার ওপর রয়েছে একটি গ্লোব। কারণ হিসাবে “সুভাষ সংঘ’র সম্পাদক জানান, মূলত শান্তির বার্তা দিতে তাঁরা পদ্মের উপর পৃথিবী দেখাচ্ছেন। এই মণ্ডপ গড়ে উঠেছে ফোম, হোগলাপাতা, লোহার রড ইত্যাদি দিয়ে। এবছর হাসনাবাদের “নব উদয় সংঘ”র পুজো এবার পা দিল ৩৪ তম বর্ষে। পুজো কমিটির সম্পাদক সুনিল সর্দার বলেন, তাঁদের পুজোর মণ্ডপ একটি মন্দিরের আদলে গড়ে উঠেছে। জলাশয়ের মাঝে তৈরি এই মণ্ডপে প্রবেশের জন্য তৈরি করা হয়েছে দুটি কাঠের সেতু। সব মিলিয়ে কালীপুজোয় আলোর সাজে সেজে উঠেছে গোটা হাসনাবাদ।

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন:আলোর উৎসবে আঁধার নামল জগদ্দলের জুটমিলে, কর্মহীন ৪০০০ শ্রমিক]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং