Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

গজবেশে জগন্নাথ, পদ্মবেশে সুভদ্রা, স্নানযাত্রা ঘিরে মায়াপুর-মাহেশে বিপুল জনসসমাগম

২৮ ঘড়া গঙ্গাজল এবং দেড় মণ দুধ দিয়ে জগন্নাথকে স্নান করানো হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৩, ১৬:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৩, ১৬:২২

options
link
গজবেশে জগন্নাথ, পদ্মবেশে সুভদ্রা, স্নানযাত্রা ঘিরে মায়াপুর-মাহেশে বিপুল জনসসমাগম zoom

সঞ্জিত ঘোষ ও সুমন করাতি: জগন্নাথের স্নানযাত্রা উপলক্ষে মাহেশ, মায়াপুরে লোকারণ্য। দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা জড়ো হয়েছেন। হুগলির শ্রীরামপুর মাহেশের স্নানযাত্রা ঐতিহাসিক। ৬২৭ বছর পুরনো। অন্যদিকে মায়াপুরের স্নানযাত্রার নাম রয়েছে বিশ্বজুড়ে।

স্নানযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকেই সাজ সাজ রব। প্রচুর ভক্তের আগমন হয়েছিল মাহেশে জুড়ে। এ প্রসঙ্গে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল অধিকারী জানান,”যুগ যুগ ধরে আমাদের এই মাহেশের স্নানযাত্রা চলছে। প্রতিবারের মতো এদিনও সকালে জগন্নাথ দেবের বিশেষ পুজো অর্চনার পর মূল মন্দিরের পার্শ্ববর্তী স্নান মন্দিরে স্নানযাত্রা উৎসব পালিত হয়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: WTC Final: ‘অস্ট্রেলীয়দের পাত্তা না দিয়ে চমকে দাও’, রোহিতদের পরামর্শ ফারুখ ইঞ্জিনিয়ারের]

এদিন হাজার-হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে ২৮ ঘড়া গঙ্গাজল এবং দেড় মণ দুধ দিয়ে জগন্নাথকে স্নান করানো হয়। পিয়ালবাবু আরও জানিয়েছেন, এবার জগন্নাথের স্নানে নতুন চমক ছিল। গজ বেশে প্রভুকে স্নান মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। যা বিরলতম দৃশ্য। মাহেশের স্নানযাত্রা উপলক্ষে গল্প প্রচলিত রয়েছে। যখন স্নান প্রক্রিয়া চলে সেই সময় মন্দির সংলগ্ন স্থানে একটি নীলকন্ঠ পাখির দেখা মেলে এবং যতক্ষণ জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার স্নান পর্ব চলে ততক্ষণ ওই পাখিটির উপস্থিত থাকে। কিন্তু স্নানের পর কেউ আর পাখিটিকে দেখতে পান না, পাখি চলে যায় নীলাচলের পথে।

মায়াপুরে সাড়ম্বরে পালিত হল ইসকন জগন্নাথ স্নানযাত্রা উৎসব। মায়াপুরের চন্দ্রধন মন্দির থেকে সাড়ে ৪ কিলোমিটার দূরে রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে স্নানযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকেই লক্ষ লক্ষ ভক্তের ভিড় জমেছিল। এদিন ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল ইসকনের তরফ থেকে। ছিল নিরামিষ কেক, ছানা-মতো একাধিক পদ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ভক্তরা ভিড় জমিয়েছিলেন। এদিন থেকেই রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে শুরু হয়ে গেল রথের প্রস্তুতি।

 

[আরও পড়ুন: দুর্ঘটনায় আটকে পড়াদের জন্য উদ্যোগ, নিখরচায় ওড়িশা থেকে কলকাতা বাস পরিষেবা চালু]

এ বিষয়ে ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানান, অন্যান্য উৎসবের মতো ইসকনের রথযাত্রা এবং জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। জগতের নাথ অর্থাৎ জগন্নাথ দেব এই স্নানযাত্রার পর গৃহবন্দি অবস্থায় থাকবেন। রথের দিন পুনরায় তিনি ভক্তদের মাঝে অবতীর্ণ হবেন।

বালুরঘাট ইসকন নামহট্ট পরিচালিত রথযাত্রা মহোৎসব সমিতির ব্যবস্থাপনায় রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হল। অভিষেক উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি জগন্নাথ দেবের ভোগদান ও আরতি হয়। উৎসবে হরিনাম সংকীর্তনও হয়। উৎসবে জগন্নাথ দেবের ভোগ ও আরাধনার পর বালুরঘাট ইসকন নামহট্টের পক্ষ থেকে সকলকে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.