দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: রাজ্যজুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ। হুগলিও তার প্রভাবের বাইরে নয়। হুগলিতে (Hoogly) করোনা সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় আগেই তারকেশ্বরের মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার করোনার কারণে হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় হংসেশ্বরী মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হল।
রবিবার থেকে ভক্তদের জন্য বন্ধ হয়ে গেল হংসেশ্বরী মন্দিরের দরজা। প্রসঙ্গত ঐতিহাসিক এই হংসেশ্বরী মন্দিরে দেবীকে কালী রূপে পুজো করা হয়। ২ বেলা ধুমধাম করে নিত্যপুজো হয়। আর সারা দিনই ভক্তদের ভিড় লেগে থাকে মন্দীরে। মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ৫০০ ভক্ত এখানে পুজো দিতে আসেন। এছাড়াও আরও কিছু দর্শনার্থী আসেন হংসেশ্বরীর দর্শনে। আশ্বিন মাসের কালীপুজো, নববর্ষ ও অক্ষয় তৃতীয়ার দিন মন্দিরে কয়েক হাজার ভক্তে সমাগম হয়।
[আরও পড়ুন: প্লাস্টার কাটার অনুরোধ করেছিলাম, চিকিৎসকরা আরও ৭ দিন রাখতে বললেন: মমতা]
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে হুগলিতে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৫২। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৪২ জন। এই পরিস্থিতিতে দ্রত গতিতে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় রবিবার আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে নোটিস জারি করা হয়। সেখানে বলা হয় কোভিডের কারণে আগামী ১৫ মে ২০২১ পর্যন্ত হংসেশ্বরী মন্দির বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবত থাকার কথা জানানো হয়েছে।
স্থানীয় তৃণমূল নেতা অমিত ঘোষ জানান, নববর্ষ ও অক্ষয় তৃতীয়ায় মতো দিনগুলিতে বহু সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী এই মন্দিরে পুজো দিতে আসেন, হালখাতা করেন। নববর্ষের পর সামনেই অক্ষয় তৃতীয়া। সেদিনও প্রচুর ভক্ত সমাগম হত। তাই সংক্রমণ এড়াতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে মন্দির বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে।
[আরও পড়ুন: ফের আতঙ্ক কুম্ভমেলা ঘিরে, করোনা পজিটিভ বহু ‘পুণ্যার্থী’ পালালেন হাসপাতাল থেকে]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতে ফের বিক্ষোভে ‘ককরোচ’, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবিতে অনড়, শাহের পুলিশের সঙ্গে ‘সংঘাতে’ অভিজিৎ
-
হাওড়ার ‘জলছবি’ বদলাতে বড় পদক্ষেপ বিজেপি সরকারের, ময়দানে নামলেন খোদ মন্ত্রী-বিধায়ক
-
গ্রন্থাগার মন্ত্রীকে নিয়ে তৃণমূলের মিথ্যাচার! চেয়ার বিতর্কে কী বললেন গৌরীশংকর
-
বাড়িতে ওয়াই-ফাই লাগিয়েও স্পিড নেই? এই উপায়ে রকেটের গতিতে ছুটবে ইন্টারনেট
-
‘বঙ্গেই প্রথম বন্দে মাতরম ধ্বনি…’, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে শুভেন্দুকে বাংলায় চিঠি মোদির