Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৬ জুন ২০২৬
Jamai Sasthi 2026

৩ বার বলুন, ‘ষাট ষাট ষাট’, নতুন শাশুড়িরা জামাইষষ্ঠী ব্রত পালনের নিয়ম জানেন তো?

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। তার মধ্যে অন্যতম মধুর উৎসব জামাইষষ্ঠী। এটি কেবল একটি লৌকিক আচার নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আবহমান বাংলার সংস্কৃতি। শাশুড়ি মায়েরা জামাইয়ের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনায় এই ব্রত পালন করেন। নিয়ম জানেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৫:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৫:৩৭

options
link
৩ বার বলুন, ‘ষাট ষাট ষাট’, নতুন শাশুড়িরা জামাইষষ্ঠী ব্রত পালনের নিয়ম জানেন তো? zoom
এই ব্রত পালন করতে প্রয়োজন কিছু বিশেষ উপাচার। কী কী জানেন?

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। তার মধ্যে অন্যতম মধুর উৎসব জামাইষষ্ঠী। এটি কেবল একটি লৌকিক আচার নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আবহমান বাংলার সংস্কৃতি। শাশুড়ি মায়েরা জামাইয়ের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনায় এই ব্রত পালন করেন।

পঞ্জিকা মতে, চলতি বছর ৫ আষাঢ় (২০ জুন), শনিবার জামাইষষ্ঠী। সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসে এই উৎসব পালিত হয়। তবে এবার তিথির ফেরে উৎসব পড়েছে আষাঢ়ের শুরুতে। এই দিনে বিবাহিত মেয়ে ও জামাইকে সপরিবারে শ্বশুরবাড়িতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সকাল থেকে চলে আদর-আপ্যায়নের নিখুঁত প্রস্তুতি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Jamai Sasthi 2026: Know the rituals, and fasting rules
ফাইল ছবি

মাঙ্গলিক উপাচার
এই ব্রত পালন করতে প্রয়োজন কিছু বিশেষ উপাচার। ডালা সাজাতে লাগে নতুন বস্ত্র, ফল-ফলাদি এবং পান-সুপারি। সঙ্গে চাই ধান ও ১০৮টি দূর্বা। আরও লাগে বাঁশের করুল, করমচা ফল ও তালের পাখা। এই সব উপকরণ দিয়েই শাশুড়িরা জামাইয়ের কল্যাণ কামনা করেন।

আচারের রীতিনীতি
ষষ্ঠীর সকালে শাশুড়িরা উপবাস রাখেন। জামাইয়ের হাতে বেঁধে দেওয়া হয় হলুদ মাখানো সুতো। কপালে জোটে তেল-হলুদের মঙ্গল ফোঁটা। এরপর তালের পাখা দিয়ে হাওয়া করার নিয়ম। মুখে বলতে হয় ‘ষাট-ষাট-ষাট’। ধান-দূর্বা দিয়ে চলে আশীর্বাদ। থালায় সাজানো থাকে পাঁচ রকমের গোটা ফল।

Jamai Sasthi 2026: Know the rituals, fasting rules, and significance of the day
ফাইল ছবি

ভোজের বাহার
বাঙালি সমাজে এই উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। মরশুমি ফল ও মিষ্টির সম্ভারে ভরে ওঠে থালা। আম, জাম, কাঁঠাল ও লিচুর গন্ধে চারদিক ম ম করে। পাতে পড়ে রকমারি সুস্বাদু পদ। বর্তমানে অনেকে অবশ্য রেস্তরাঁতেও এই উৎসবের ভোজ সারেন। তাতে রান্নাবান্নার ঝক্কি কমে অবশ্যই। তবে নিজে হাতে জামাইকে রেঁধে খাওয়ানোর মজাই আলাদা!

পৌরাণিক লোককথা
এই উৎসবের নেপথ্যে রয়েছে প্রাচীন লোককথা। অতীতে নিয়ম ছিল, কন্যাসন্তান পুত্র প্রসব না করা পর্যন্ত মাতাপিতা মেয়ের বাড়ি যাবেন না। সেই কারণে জ্যৈষ্ঠের শুক্লা ষষ্ঠীকে বেছে নেওয়া হয়। এই অছিলায় মেয়ের মুখ দর্শন করাই ছিল উদ্দেশ্য। আবার অনেকে মনে করেন, মা ষষ্ঠীর পুজো করলে মেয়ের কোল আলো করে সন্তান আসে। সেই বিশ্বাস থেকেই শুরু হয় এই পার্বণের পথচলা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.