৬ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধন ও সৌভাগ্যের দেবী মা লক্ষ্মী। অনেকে লক্ষ্মীপুজোর দিন মা লক্ষ্মীর আরাধনায় সামিল হন, অনেকে আবার কালীপুজো দিনেও মায়ের আরাধনা করেন। মা লক্ষ্মী পূজিতা হন দেবীপক্ষের শেষের পূর্ণিমাতে। অনেকে যাকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বলে থাকেন৷ কিন্তু অনেকের মনেই এই ‘কোজাগরী’ শব্দটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে৷ ‘কোজাগরী’ কী, এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই অনেকেরই৷

[মা দুর্গার হাতে থাকা দশ অস্ত্রের কী অর্থ জানেন?]

পূরাণ মতে, কোজাগরী শব্দটি এসেছে ‘কো জাগর্তি’ থেকে, যার অর্থ ‘কে জেগে আছো’৷ কথিত রয়েছে, এই পূর্ণিমার রাতে নাকি দেবী লক্ষ্মী জগৎ পরিক্রমা বের হন৷ তিনি দেখেন কেউ সারারাত জেগে আছেন কিনা| অনেকে এও বলে থাকেন, ওইদিন রাতে যে ব্যক্তি জেগে থাকেন এবং পাশাখেলা করেন তাঁকে মা লক্ষ্মী ধন-সম্পত্তি দান করেন৷ তাই ভক্তিপূর্ণ চিত্তে লক্ষ্মীপুজো করার পরে প্রথমে বালক, বৃদ্ধ ও শিশুদের খাবার গ্রহণ করাতে হয়| আজও ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মীকে পাওয়ার জন্য গৃহস্থ বাড়িতে সারারাত ঘি-এর প্রদীপ জ্বালানো হয়। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন বাংলার প্রতিটি ঘর মুখরিত হয়ে ওঠে শঙ্খধ্বনিতে৷

[সিংহ নয়, পুরাণ মতে মা দুর্গার বাহন এরাই]

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে রয়েছে কৃষি সমাজের গভীর প্রভাব। এর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিক ভাবে জড়িয়ে আছে আলপনা। এই পুজো হয় মূলত প্রতিমা, সরা, নবপত্রিকা কিংবা থোড়ের তৈরি নৌকায়। লক্ষ্মী সরাও হয় নানারকমের, যেমন ঢাকাই সরা, ফরিদপুরি, সুরেশ্বরী এবং শান্তিপুরী সরা। নদিয়া জেলার তাহেরপুর, নবদ্বীপ এবং উত্তর-২৪-পরগনার বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্মীসরা আঁকা হয়। তবে আঞ্চলিকতা ভেদে লক্ষ্মী সরায় তিন, পাঁচ, সাত পুতুল আঁকা হয়। এতে থাকে লক্ষ্মী, জয়া বিজয়া সহ লক্ষ্মী, রাধাকৃষ্ণ, সপরিবার দুর্গা ইত্যাদি। ফরিদপুরের সরায় দেবদেবীরা সাধারণত একটি চৌখুপির মধ্যে থাকেন। আবার সুরেশ্বরী সরায় উপরের অংশে মহিষমর্দিনী আঁকা হয় আর নীচের দিকে থাকেন সবাহন লক্ষ্মী। চলতি বছর, ৬ কার্তিক, মঙ্গলবার ইংরাজির ২৩ অক্টোবরে পড়েছে লক্ষ্মীপুজোর নির্ঘণ্ট৷ পূর্ণিমা শুরু হচ্ছে রাত ১০টা বেজে ৩৭ মিনিটে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং