৩১ আষাঢ়  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

৩১ আষাঢ়  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

কীভাবে হয়েছিল জামাইষষ্ঠীর সূচনা? আর কেনই বা পেট পুজোর আয়োজন? আনন্দ-পার্বণের কথিত কাহিনি আর রেস্তোরাঁর আয়োজনের কথা লিখলেন সোমনাথ লাহা।

লোকায়ত প্রথা জামাইষষ্ঠী। ষষ্ঠীদেবীর পার্বণ থেকেই এই প্রথার উদ্ভব৷ বৈদিক সমাজ থেকেই জামাইষষ্ঠী পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের ষষ্ঠী তিথিতে প্রথম প্রহরে ষষ্ঠীদেবীর পুজোর আয়োজন করা হয়। ষষ্ঠীদেবী মাতৃত্বের প্রতীক। তাঁর বাহন বিড়াল। মূলত সন্তানের কল্যাণ ও সংসারের সুখ-শান্তি নিশ্চিত করাই এই পুজোর উদ্দেশ্য।

[আরও পড়ুন : লোকনাথ বাবার আশীর্বাদ পেতে তিরোধান দিবসে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি]

জামাইষষ্ঠীর সূচনা : কথিত রয়েছে, জনৈক গৃহবধূ স্বামী গৃহে নিজে মাছ চুরি করে খেয়ে দোষ দিয়েছিল বিড়ালের উপর। ফলে একদিন তার সন্তান হারিয়ে যায়। একে তার পাপের ফল মনে করে। তখন সে বনে গিয়ে ষষ্ঠীদেবীর আরাধনা শুরু করে৷ দেবী তুষ্ট হন৷ ফলে বনেই সে নিজের সন্তানকে ফিরে পায়। এই জন্যই ষষ্ঠীদেবীর অপর নাম অরণ্যষষ্ঠী। এদিকে মাছ চুরি করে খাওয়ার জন্য শ্বশুর-শাশুড়ি মেয়েটির পিতৃগৃহে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। এমতাবস্থায় মেয়েকে দেখার জন্য ব্যাকুল মা-বাবা একবার ষষ্ঠীপুজোর দিন জামাইকে সাদরে নিমন্ত্রণ জানান। জামাইষষ্ঠী পুজোর দিনে সস্ত্রীক উপস্থিত হলে আনন্দের বন্যা বয়ে যায় বাড়িতে।ষষ্ঠীপুজো রূপান্তরিত হয় জামাইষষ্ঠীতে।

jamaisasthi puja
বাঙালি হিন্দুসমাজে এ উৎসবের সামাজিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বিশেষত যে পরিবারে সদ্য বিবাহিতা কন্যা রয়েছে সেই পরিবার এই পার্বণটি ঘটা করে পালন করে।
আর বাঙালির এই সামাজিক পার্বণটিকে আরও সুন্দর করে তোলার জন্য রীতিমতো আকর্ষণীয় মেনু সাজিয়ে প্রস্তুত শহর তিলোত্তমার রেস্তরাঁগুলি। জুন মাসের একটি নির্দিষ্ট দিনকে কেন্দ্র করে হওয়া এই উৎসবে তাই দেদার খাওয়াদাওয়ার আয়োজন।

[আরও পড়ুন : ফলহারিনী কালীপুজো কী? জেনে নিন মায়ের মহিমা]

কলকাতার বালিগঞ্জের অন্যতম রেস্তরাঁ ‘চিলেকোঠা’ও প্রস্তুত তাদের ‘জামাইষষ্ঠী স্পেশালস’ মেনুর সম্ভার নিয়ে। সেই তালিকায় বিশেষ পদ হিসাবে রয়েছে আমচিতল, আমসত্ত্ব পনির, রসকলি মুরগি, ইলিশ আমতেলের মতো জিভে জল আনা রসনা সম্ভার। নিজের বাড়ির প্রিয় জামাইকে তুষ্ট করাতে শাশুড়িমাদের সামনে এমনই সব রসনা নিয়ে হাজির চিলেকোঠা। বিশেষভাবে রসনা সম্ভারে সজ্জিত জামাইষষ্ঠী থালির জন্য খরচ পড়বে কর ব্যাতীত ১,১৫০ টাকার মতো।জামাইষষ্ঠীর দিন তাই প্রিয় জামাই ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০:৩০টার মধ্যে ‘চিলেকোঠা’য় এসে ডুব দিতেই পারেন রসনার এই বিশেষ আস্বাদে।

jamaisasthi food

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং