Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Bharat Sevashram Sangha

মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে বিরল আধ্যাত্মিক মহোৎসব, ১৩০টি নদীর জল দিয়ে স্বামী প্রণবানন্দজীর মহাভিষেক

স্বামী প্রণবানন্দের ১৩০তম আবির্ভাব বর্ষে ভারত সেবাশ্রম সংঘের এক নজিরবিহীন উদ্যোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৩:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৩:১৯

options
link
মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে বিরল আধ্যাত্মিক মহোৎসব, ১৩০টি নদীর জল দিয়ে স্বামী প্রণবানন্দজীর মহাভিষেক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের ১৩০তম আবির্ভাব বর্ষ। আর তাকে কেন্দ্র করেই গোটা বছর জুড়ে চলছে নানা কর্মসূচি পালন। সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে সম্পন্ন হল ৮ম বাৎসরিক মহোৎসব। এবারের উৎসবের সর্বাধিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল দেশের ১৩০টি নদী ও ঐতিহাসিক ঘাটের পবিত্র জল সংগ্রহ করে আচার্য্যদেবের মহাভিষেক। এ দিন ভক্তরা এক বিরল আধ্যাত্মিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইলেন।

Mahabhishek of Swami Pranavanand Maharaj with the holy water of 130 rivers by Bharat Sevashram Sangha on the occasion of his birth anniversary

Advertisement

স্বামী প্রণবানন্দজীর আবির্ভাব বর্ষকে স্মরণীয় করে তুলতে দেশ জুড়ে বিভিন্ন নদী যেমন গঙ্গা, যমুনা, নর্মদা, গোদাবরী থেকে শুরু করে ছোট-বড় বহু নদীর জল সংগ্রহ করে আনেন ভক্তরা। এই জল দিয়ে মন্দিরে মহাভিষেকের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের মতে, ১৩০টি নদীর পবিত্র জল একত্রিত করে অভিষেকের এই অনুষ্ঠান ভারতীয় আধ্যাত্মিক চর্চার এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্র গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চারটি কেন্দ্রে স্বামী প্রণবানন্দজীর প্রতিষ্ঠিত মূর্তিতে মহাভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি স্থানে ভক্তরা ১৩০ প্রকার রান্না করা অন্নকুট ভোগ নিবেদন করেন। ছিল আরতি, সাধু ভাণ্ডারা এবং ভক্তিমূলক পাঠ।

Mahabhishek of Swami Pranavanand Maharaj with the holy water of 130 rivers by Bharat Sevashram Sangha on the occasion of his birth anniversary

ভারত সেবাশ্রম সংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মঠ-মিশনের সাধু-সন্তরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অসুস্থ ও প্রবীণ মানুষদের বাড়িতেও ভোগ প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। এদিন আধ্যাত্মিক যোগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মহাতীর্থ কালীঘাটের প্রাচীন বজরংবলির নতুন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয় এখানে । কালীঘাট মন্দির কমিটির কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তিন দিন ধরে চলে এই অনুষ্ঠান। মন্মথপুর ছাড়াও এই মহোৎসবে সামিল হন আশেপাশের বহু মানুষ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.