Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Nuclear Reactor

বিস্ময়প্রতিভা! পড়ার ঘরেই পরমাণু চুল্লি বানাল ১২ বছরের মার্কিন বালক, অবাক বিজ্ঞানীরাও

ডালাস ইনডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ম্যাকমিলান। সে নিজের খেলার ঘরে বানিয়ে ফেলেছে আস্ত এক নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাক্টর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
বিস্ময়প্রতিভা! পড়ার ঘরেই পরমাণু চুল্লি বানাল ১২ বছরের মার্কিন বালক, অবাক বিজ্ঞানীরাও zoom
ক্লাস সেভেনের পড়ুয়া এইডেন ম্যাকমিলান বানিয়ে ফেলেছে পারমাণবিক চুল্লি। ছবি: সংগৃহীত। 

একজন অভিজ্ঞ বিজ্ঞানী যে কৃতিত্বের স্বপ্ন দেখেন, যার জন্য প্রয়োজন হয় আধুনিক গবেষণাগারের। বাড়িতে বসে সেই কাজ করে ফেলল আমেরিকার ডালাসের বাসিন্দা ১২ বছরের বালক এইডেন ম্যাকমিলান। সে নিজের ঘরেই বানিয়ে ফেলেছেন একটি পারমাণবিক চুল্লি। এই ঘটনায় গোটা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের মধ্যে আলোড়ন শুরু হয়েছে। অসম্ভবকে কীভাবে সম্ভব করল বিস্ময়প্রতিভা?

একাধিক মার্কিন সংবাদপত্র জানাচ্ছে, ডালাস ইনডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ম্যাকমিলান। সে নিজের খেলার ঘরে বানিয়ে ফেলেছে আস্ত এক নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাক্টর। গত চার বছর ধরে গবেষণা করে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সে। জানা গিয়েছে, মাত্র আট বছর বয়সে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে ম্যাকমিলান। প্রথম দু’বছর নিউক্লিয়ার ফিজিকস ও ফিউশন নিয়ে পড়াশোনা করে। এর পর ম্যাকমিলান তার মেশিনের প্রাথমিক রূপ (ভার্সন) তৈরি করা শুরু করে। তবে ম্যাকমিলানের এক কাজে রয়েছে সহকারীও। কে সে?

Advertisement

পরমাণু চুল্লি তৈরি করতে প্রতিভাবান বালককে সাহায্য করেছে ‘লঞ্চপ্যাড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে উচ্চাভিলাষী গবেষণায় শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এর পরেও একাধিক বাধা ডিঙিয়ে চার বছরের পরিশ্রমকে বাস্তবে পরিণত করে ম্যাকমিলান। এক সময় যন্ত্রটি নিউট্রন উৎপাদন শুরু করে। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসাবে পরমাণু চুল্লি তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তোলার স্বপ্ন দেখছে বারো বছরের এইডেন ম্যাকমিলান। সাংবাদিকদের সে জানিয়েছে, কাজটা মোটেই সহজ ছিল না। কখনও তৃপ্তিদায়ক, কখনও বা হতাশাজনক অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। আসল কথা, বারো বছরের বালকের কাণ্ডে বিজ্ঞানীরাও অবাক হয়ে গিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.