Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Asteroid

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বোয়িং বিমানের আকারের অতিকায় গ্রহাণু, ক্ষতির সম্ভাবনা কতটা?

গ্রহাণুটির গতিবেগ সেকেন্ডে ৬.৬৮ কিলোমিটার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২০, ১৪:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২০, ১৪:২২

options
link
পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বোয়িং বিমানের আকারের অতিকায় গ্রহাণু, ক্ষতির সম্ভাবনা কতটা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আবারও বড় আকারের এক গ্রহাণু (Asteroid) ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) জানিয়েছে, বুধবার পৃথিবীর কক্ষপথ ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে গ্রহাণুটি। 2020 RK2 নামের ওই গ্রহাণুটি আকারে বোয়িং-৭৪৭ বিমানের মতো। তবে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর এতটাই দূর দিয়ে যাবে যে, এর থেকে ক্ষতির কোনও আশঙ্কা নেই বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রসঙ্গত, পৃথিবী থেকে প্রায় ২৩ লক্ষ ৮০ হাজার মাইল দূর দিয়ে যাবে গ্রহাণুটি। ফলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এটিকে দেখতে পাবেন না। একবার পৃথিবীর কক্ষপথ পেরিয়ে গেলে ২০২৭ সালের আগস্টের আগে এটির ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই।

গত মাসেই গ্রহাণুটি প্রথম নজরে আসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। ১১৮ থেকে ২৬৫ ফুট পরিধির এই গ্রহাণুটির গতিবেগ সেকেন্ডে ৬.৬৮ কিলোমিটার। কেবল এই একটি গ্রহাণুই নয়, নাসা জানিয়েছে আরও অন্তত পাঁচটি গ্রহাণু পৃথিবীর কক্ষপথ ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে। আজ, মঙ্গলবারও আর একটি গ্রহাণু পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে। পৃথিবীর সঙ্গে এটির দূরত্ব থাকবে ৬২ লক্ষ কিলোমিটার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলা নাকি জলবায়ু পরিবর্তন রুখে দেওয়া? কীসে কতটা গুরুত্ব, দ্বিধাবিভক্ত বিশ্ব]

প্রসঙ্গত, গত ২৪ সেপ্টেম্বর পৃথিবী থেকে মাত্র ২২ হাজার মাইল (৩৬,০০০ কিলোমিটার) দূর দিয়ে চলে গিয়েছিল আর এক গ্রহাণু। স্কুলবাসের আকারের ওই গ্রহাণুটির নাম ছিল ২০২০ এসডবলিউ। সাধারণত এই ধরনের গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের সম্ভাবনা কমই থাকে। তবে কখনও কখনও অন্য গ্রহের সঙ্গে মহাকর্ষীয় টানের কারণে তারা আচমকাই অনেকটা কাছে চলে আসে।

এই ধরনের আগন্তুক গ্রহাণু অতীতে বহুবার পৃথিবীতে আছড়‌ে পড়েছে। পৃথিবীর বিবর্তনে এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেই জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এমনকী, ডাইনোসরদের অবলুপ্তির পিছনেও এই ধরনের মহাজাগতিক বস্তুর আছড়ে পড়াকে অন্যতম কারণ হিসেবে দাবি করা হয়।

[আরও পড়ুন: নাসার পুরনো নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শুক্রে প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.