Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
আমাজন

‘পৃথিবীর ফুসফুস’ আমাজনকে বাঁচাতে উদ্যোগী বলিভিয়া, সুপার ট্যাঙ্কার দিয়ে বিমান থেকে জল

ব্রাজিলের উদাসীনতাার পাশে বলিভিয়ার সীমিত উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৯, ১৩:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৯, ১৩:২৯

options
link
‘পৃথিবীর ফুসফুস’ আমাজনকে বাঁচাতে উদ্যোগী বলিভিয়া, সুপার ট্যাঙ্কার দিয়ে বিমান থেকে জল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দগ্ধ ‘পৃথিবীর ফুসফুস’। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে দাবানলে পুড়ছে আমাজন। তাকে বাঁচাতে উদ্যোগী গোটা বিশ্ব। কিন্তু আলোচনাই সার। তাবড় তাবড় দেশগুলো কোনও সমাধান সূত্র নিয়ে এগিয়ে আসেনি। কিন্তু ছোট্ট দেশ বলিভিয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। আমাজনকে বাঁচাতে এগিয়ে দিল তারাই। বলিভিয়ার রাষ্ট্রপতি ইভো মোরালেস জানিয়েছেন, সুপার ট্যাঙ্কার দিয়ে বিমান থেকে জল ছেটানো হবে অরণ্যে।

বলিভিয়ায় শুক্রবার থেকেই জল-অভিযান শুরু হওয়ার কথা। আসলে আমাজনের জঙ্গলের সিংহভাগ ব্রাজিলের মধ্যে পড়লেও, বেশ খানিকটা অংশ রয়েছে বলিভিয়ায়। তাই তাদের এই উদ্যোগ। জানা গিয়েছে, দাবানল রুখতে লিজ নেওয়া হয়েছে সুপার ট্যাঙ্কার বোয়িং বিমান ৭৪৭। ইতিমধ্যেই সেটি পৌঁছে গিয়েছে বলিভিয়ায়। তবে বিমান যাওয়ার আগে বায়ুসেনা দাবানলের জায়গাগুলি চিহ্নিত করে দেবে বলে জানা গিয়েছে। তারপর তিনটি হেলিকপ্টার ও ৫০০ দমকল কর্মী, সেনা-সহ রওনা দেওয়ার কথা বোয়িং বিমান ৭৪৭-এর। বিমানের ওই সুপার ট্যাঙ্কারে প্রায় ১১৫ হাজার লিটার জল ধরে। বিমানের সুপার ট্যাঙ্কারে জল ভরে আগুনে পুড়তে থাকা আমাজন জঙ্গলের উপরে গিয়ে জল ছিটিয়ে দেওয়া হবে। যদিও বলিভিয়ার এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন পরিবেশবিদরা। তবে আমাজন রক্ষায় যেখানে ব্রাজিলের সবচেয়ে বেশি উদ্যোগী হওয়ার কথা, সেখানে তাদের ঔদাসীন্য এবং বলিভিয়ার সীমিত শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া সত্যিই নজর কেড়েছে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: আমাজনের আগুন ‘ম্যানমেড’, স্যাটেলাইট ছবি দেখে নিশ্চিত পরিবেশ বিজ্ঞানীরা ]

পৃথিবীর প্রাণী জগৎ যে অক্সিজেন গ্রহণ করে, তার প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ করে এই আমাজন অরণ্য। পৃথিবীর সেই ফুসফুস আক্রান্ত হয়ছে সপ্তাহ তিনেক আগে। দাউদাউ করে জ্বলছে জঙ্গল। অন্তত ২৫০০টি জায়গায় পকেট ফায়ার রয়েছে। এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার জঙ্গল পুড়ে যাচ্ছে।

পরিবেশবিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, জঙ্গলের জমি বেআইনিভাবে সাফ করে চাষযোগ্য করে তুলছেন অনেকে। যাতে ব্রাজিল সরকারও কোনও আপত্তি করছে না। এর জেরেই ভূমিক্ষয়ের আশঙ্কা বাড়ছে, আলগা হচ্ছে বড় গাছের শিকড়। স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে জঙ্গলে একেবারে ট্রাক্টর ঢুকিয়ে মাটি চষা হচ্ছে। যার জেরে আলগা হচ্ছে গাছের শিকড়। নিজের বৈচিত্র্য হারাচ্ছে এই চিরসবুজ অরণ্য। এত বড় বড় গাছের শিকড় যেখানে জমির জল ধরে রেখে মাটিকে পোক্ত রাখে, সেখানে শিকড় আলগা হয়ে যাচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে, মাথার উপর ঘিরে থাকা সবুজ ছাতার মতো ঘন গাছের পাতার ফাঁকে দেখা যাচ্ছে, আমাজন অরণ্যের সামগ্রিক ছবিতেই একটা বড়সড় বদল আসছে। তিল তিল করে মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবীর ফুসফুস।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.