Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মানুষের দেহে প্রয়োগ সফল, দিশা দেখাচ্ছে আমেরিকার করোনা ভ্যাকসিন

প্রথম পর্বে সাফল্যের পর শীঘ্রই শুরু হবে দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২০, ১৬:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২০, ১৬:৪৪

options
link
মানুষের দেহে প্রয়োগ সফল, দিশা দেখাচ্ছে আমেরিকার করোনা ভ্যাকসিন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজোড়া ত্রাস সৃষ্টি করেছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা। সবাই COVID-19-এর ভ্যাকসিনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। করোনা যেভাবে দাপট দেখাতে শুরু করেছে, ভ্যাকসিন ছাড়া এর থেকে বাঁচা কার্যত অসম্ভব। তবে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। আমেরিকার একটি সংস্থা যে পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছিল, মানবদেহে সেটি অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সফল হয়েছে।

মার্চ মাসে আট জনের উপর এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সময় তাঁদের ১০০ মাইক্রোগ্রাম থেকে ২৫ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত ভ্যাকসিনের বিভিন্ন ডোজ দেওয়া হয়েছিল। যখন পরীক্ষার ফলাফল এল, তখন দেখা গেল যাঁদের ১০০ মাইক্রোগ্রাম ডোজ দেওয়া হয়েছিল এবং যাঁদের ২৫ মাইক্রোগ্রাম ডোজ দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের উভয়ের দেহেই SARS-CoV-2 প্রতিরোধের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। COVID-19 থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের থেকেও এর পরিমাণ অনেকটাই বেশি। ডোজ-রেসপন্স যাচাইয়ের পরে দেখা গিয়েছে যে যাঁদের বেশি ডোজ দেওয়া হয়েছিল তাঁরা কম ডোজ প্রাপ্যদের থেকে বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি করেছেন।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় নয়া পথ দেখাবে লামা, গবেষণায় মিলল তথ্য ]

যদিও এই ভ্যাকসিনটি একটি ছোট গ্রুপে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে এটি করোনা নিরাময় করতে পারবে, তা এখনও বলা যাচ্ছে না। আমেরিকার জনস হপকিনস সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির বিশেষজ্ঞ অমেশ আদালজা বলেছেন, “এগুলি অবশ্যই উল্লেখযোগ্য ফলাফল। তবে এটি ছিল ৮ জনকে নিয়ে প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল। কার্যকারিতার জন্য নয়, সুরক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই ভ্যাকসিন। যদিও একটি একটি ছোট সাফল্য। কিন্তু এর এতটুকু ভুল কার্যকারিতার পরীক্ষা হাজার হাজার মানুষের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।” এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়েও এখনও স্বচ্ছ্ব ধারণা তৈরি হয়নি। কারণ এটি প্রথমবার প্রয়োগের পর সর্বোচ্চ ডোজের দ্বিতীয় শ্লটে তিনজনের শরীরে জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা যায়। আর সেই কারণেই গবেষকরা মনে করছেন এই লক্ষণগুলি একটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়ার পরোক্ষ প্রভাব। এই সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা এখনও প্রয়োজন বলে মত তাঁদের।

তবে এই ভ্যাকসিন নিঃসন্দেহে আশার আলো দেখাচ্ছে। তাই মানবদেহে পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্ব শুরু করার জন্য একে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। এর কার্যকারিতা দ্রুত পর্যালোচনা করার জন্য এটিকে ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ স্ট্যাটাসও দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বজায় রেখে সর্বোচ্চ ডোজ অনুসন্ধান করবেন বিজ্ঞানীরা। আশা করা হচ্ছে এর তৃতীয় পর্বটি জুলাইয়ে শুরু হবে। প্রতিটি পর্বে সাফল্য মিললে ২০২১ সালে কয়েক মিলিয়ন ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারবে উৎপাদকারী সংস্থা। জানুয়ারি মাসে এই সংস্থা করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ শুরু করে। ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন বাজারে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা।

[ আরও পড়ুন: COVID প্রতিষেধক তৈরির পথে আরেক ধাপ, বাঁদরের দেহে সাফল্যের দাবি বিজ্ঞানীদের ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.