Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Disease X

করোনার পরে কি ‘ডিজিজ এক্স’? আরও ভয়ংকর অতিমারীর আশঙ্কা ইবোলার আবিষ্কর্তার

ইবোলার মতোই প্রাণঘাতী মনে করা হচ্ছে এই ভাইরাসকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২১, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২১, ১৭:২৩

options
link
করোনার পরে কি ‘ডিজিজ এক্স’? আরও ভয়ংকর অতিমারীর আশঙ্কা ইবোলার আবিষ্কর্তার zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Coronavirus) নয়া স্ট্রেন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ব্রিটেনে। ভারতেও মিলেছে সেই স্ট্রেন। তবুও নতুন বছরের আগেই বিশ্বের নানা দেশে শুরু হয়ে যাওয়া টিকাকরণ আশা জাগিয়েছে, এবার হয়তো মুক্তি মিলবে অতিমারীর (Pandemic) কবল থেকে। ভারতেও শিগগিরি শুরু হতে চল‌েছে টিকাকরণ। কিন্তু এরই মধ্যে ইঙ্গিত মিলল, করোনাতেই শেষ নয়। আরও বড় বিপদ হয়তো অপেক্ষা করে আছে। ইবোলা (Ebola) ভাইরাসের আবিষ্কর্তা জাঁ জাক মুয়েম্বে তেমনটাই আশঙ্কা করছেন। তিনি সন্ধান দিয়েছেন নতুন এক মারণ ভাইরাসের। তার নাম ‘ডিজিজ এক্স’ (Disease X)।

কী এই ‘ডিজিজ এক্স’? কঙ্গোর এক হাসপাতালের ডাক্তাররা সম্প্রতি এক মহিলার চিকিৎসা করছিলেন। তাঁর জ্বর ছিল। সঙ্গে রক্তক্ষরণ। তাঁর ইবোলা পরীক্ষাও করা হয়। কিন্তু সেই পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসার পরে এখন আশঙ্কা, ওই মহিলাই হয়তো ‘ডিজিজ এক্স’-এর প্রথম শিকার। নানা মহল থেকে দাবি করা হচ্ছে, কোভিড-১৯-এর মতোই ছোঁয়াচে এই অসুখ হয়তো ইবোলার মতোই প্রাণঘাতী। প্রসঙ্গত, ইবোলার ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: মাত্র কয়েক দিনেই ধ্বংস হবে প্লাস্টিক, যুগান্তকারী আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের]

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO অবশ্য মনে করছে, এখনই একে নিয়ে খুব বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। কারণ, পুরো ব্যাপারটাই এখনও অনুমানভিত্তিক মাত্র। তবে বহু বিজ্ঞানীই কিন্তু ভয় পাচ্ছেন এই ভাইরাস সত্যি সত্যি হানা দিলে পৃথিবীর জন্য তা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে।

১৯৭৬ সালে ভয়ংকর ছোঁয়াচে মারণ ভাইরাস ইবোলা আবিষ্কার করেছিলেন অধ্যাপক মুয়েম্বে। তিনি জানাচ্ছেন, এই একটিই নয়, একাধিক বিপজ্জনক ভাইরাস আগামী দিনে বড় ঝুঁকি হতে পারে মানব সভ্যতার জন্য। আফ্রিকার ক্রান্তীয় রেন ফরেস্টকে সেই ধরনের ভাইরাসের আঁতুড়ঘর বলে জানাচ্ছেন অধ্যাপক জিন। তাঁর মতে, আগামী দিনের অতিমারীগুলি কোভিড-১৯ অতিমারীর থেকে আরও অনেক বেশি ভয়াবহ হবে।

[আরও পড়ুন: পৃথিবীর দিকে তাক করে স্পেস জাঙ্ক ছুঁড়েছে ‘এলিয়েন’রা! চাঞ্চল্যকর দাবি হার্ভার্ডের অধ্যাপকের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.