Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Scorpion

এত বড়, সত্যি! মিলল ল্যাব্রাডরের আকারের কাঁকড়াবিছের সন্ধান! বিস্মিত বিজ্ঞানীরাও

অতিকায় প্রাণীটির দাঁড়া ছিল ১৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৮:৪৭

options
link
এত বড়, সত্যি! মিলল ল্যাব্রাডরের আকারের কাঁকড়াবিছের সন্ধান! বিস্মিত বিজ্ঞানীরাও zoom
৪১ কোটি বছর পুরনো সেই জীবাশ্ম।

সে এক অন্য পৃথিবী! মানুষ তখনও এই নীল রঙের গ্রহে আবির্ভূত হতে ঢের ঢের দেরি। সেই দুনিয়াটা ছিল অতিকায়দের। কেবল ডাইনোসররাই নয়, সমস্ত জীবই তাদের বিপুল চেহারা নিয়ে ঘুরে বেড়াত! যার মধ্যে ছিল কাঁকড়াবিছেরাও। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা সন্ধান পেয়েছেন ৪১ কোটি বছর পুরনো জীবাশ্মের। আর তা দেখে তাক লেগে গিয়েছে তাঁদের! মোটামুটি এক আধুনিক ল্যাব্রাডর রিট্রিভারের আকারের সমান ছিল ওই কাঁকড়াবিছেরা।

‘প্যালেন্টোলজি’ নামের এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্র। সেখানে গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রাগৈতিহাসিক শিকারী প্রাণীটির দাঁড়া ছিল ১৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা! আর এদের দেখা মিলত যেখানে, সেটাই আজকের ইংল্যান্ড। উনবিংশ শতাব্দী থেকে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে অতিকায় কাঁকড়াবিছেটির জীবাশ্ম। ১৮৭১ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরি উডওয়ার্ড আবিষ্কার করেছিলেন সেই জীবাশ্ম। সেই থেকে ওই জীবাশ্ম নিয়ে চলছে গবেষণা। যা নিয়ে মিলছে নতুন নতুন তথ্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রথমে অবশ্য বোঝা যায়নি সেটি কাঁকড়াবিছে। জীবাশ্মটি যেহেতু বিকৃত অবস্থায় ছিল, তাই সেটিকে খুঁটিয়ে দেখে সিদ্ধান্তে আসতে আসতে প্রায় কয়েক দশক লেগে যায়। বাকি তথ্যগুলিও ধীরে ধীরে সামনে আসে। জানা যাচ্ছে, এই কাঁকড়াবিছেরা জলজ ও স্থলজ পরিবেশে ঘুরে বেড়াত। আসলে সেই যুগে এই ধরনের প্রাণীর জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যের জোগান ছিল না। আর সেই কারণে এরা জলজ পরিবেশে টিকে থাকার শক্তিশালী অভিযোজনও আয়ত্ত্ব করেছিল। সাধারণত লবস্টার ও কাঁকড়ার মতো ক্রাস্টেশিয়ান বা খোলসযুক্ত জলজ প্রাণীদের ক্ষেত্রে যেমন শক্ত খোল পাওয়া যায়, এদের শরীরেও তেমনটা ছিল।

সব মিলিয়ে বলাই যায়, এই আবিষ্কারে কাঁকড়াবিছের প্রাথমিক বিবর্তন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলেছে। যা বুঝিয়ে দেয়, কীভাবে স্থলভাগে প্রাণের বিস্তারের একেবারে শুরুর দিকের পর্যায়ে কীভাবে বিশাল আকারের শিকারি প্রাণীদের আবির্ভাব ঘটেছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.