Advertisement
Advertisement
গগনযানের প্রস্তুতি শেষ রাশিয়ায়

মিশন ‘গগনযান’, মহাকাশে যাওয়ার ৯০ শতাংশ প্রস্তুতি শেষ ভারতের চার নভোশ্চরের

বাকি আর একটিমাত্র ধাপ, ২০২২এ মহাকাশে পাড়ি দেবে 'গগনযান'।

Indian astronauts sent in Russia to take training for 'Gaganyan' completed
Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:August 9, 2020 4:34 pm
  • Updated:August 9, 2020 4:57 pm

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছ’মাসেরও কম সময়। তার মধ্যেই সবরকম প্রতিকূলতা জয়ের প্রস্তুতি ৯০ শতাংশই সেরে ফেলেছেন ভারতের চার নভোশ্চর। দেশের প্রথম নভোশ্চর নিয়ন্ত্রিত মহাকাশ অভিযান – ‘গগনযানে’ (Gaganyan) পাড়ি দেওয়ার জন্য রাশিয়ায় গিয়ে তাঁদের প্রস্তুতিপর্ব শেষ। করোনা পরিস্থিতির কারণে তা কিছু সময়ের জন্য স্থগিত থাকলেও, ছ’মাস আগেই তিনটি ধাপ পূর্ণ হয়েছে। এবার চূড়ান্ত ধাপ শেষে বাছাই পর্ব বাকি। ২০২২ সালে ‘গগনযানে’ কে কে পাড়ি দেবেন, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইসরো। তবে চারজনই বলছেন, সুযোগ পাওয়া না গেলেও আক্ষেপ নেই। রাশিয়ায় প্রশিক্ষণ পর্বই এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

শুধু যান্ত্রিকভাবে প্রস্তুত করে যানকে মহাকাশে পাঠানো নয়, এবার ভারতের লক্ষ্য, সেই মহাকাশযানে মানুষকে পাঠানো। তাই মিশন এবার একটু কঠিন। ‘গগনযান’ প্রকল্প ঘোষণা হওয়ার পরপরই ইসরো চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে বাছাই করা চারজনকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল প্রশিক্ষণ নিতে। কারণ, বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন রাশিয়ান। এমনকী ভারতের প্রথম মহাকাশচারী রাকেশ শর্মাও (Rakesh Sharma) রাশিয়ায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। তাই এ বিষয়ে রাশিয়া দক্ষতায়, প্রযুক্তিগত সহায়তায় অন্যদের চেয়ে এগিয়ে। এ বছরের শুরুতে ‘গগনযানের’ জন্য ভারত থেকে পাঠানো ৪ জন প্রস্তুতি শুরু করেন রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা ‘রসকসমসের’ অধীনে। তাদের হয়ে সরাসরি ভারতীয় নভোশ্চরদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে গ্লাভকসমস। তাঁদের প্রশিক্ষণ চলেছে গ্যাগারিন কসমোনট ট্রেনিং সেন্টারে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পুরনো বিল্ডিং ভেঙে ফেলা পরিবেশের পক্ষে বিপজ্জনক, নয়া সতর্কবার্তা স্থপতিদের]

প্রথম ধাপে গাছপালায় ঢাকা জলাভূমি অঞ্চলে মহাকাশযান নিয়ে অবতরণের প্রশিক্ষণ শেষ হয় ফেব্রুয়ারিতে। দ্বিতীয় ধাপ ছিল তুলনায় কঠিন – ভারহীনতার অভিজ্ঞতা। এটি শেষ হয় জুনে। তার পরবর্তী ধাপ ছিল অপেক্ষাকৃত সহজ – ঘাসজমিতে অবতরণ। এটি শেষ হয়েছে জুলাইয়ে। এই তিনটি পর্বই নভোশ্চরদের ভাষায়, অস্বাভাবিক অবতরণের (Abnormal Discent Module Landing) জন্য প্রযোজ্য অর্থাৎ বিশেষ পরিস্থিতিতে কীভাবে চটজলদি অবতরণ করানো যায়, সেটাই সফলভাবে শিখলেন তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নদী নয়, হিমবাহ প্রবাহের ফলেই লাল গ্রহের বুকে উপত্যকা! নয়া দাবি বিজ্ঞানীদের]

গ্লাভকসমস জানিয়েছে, প্রশিক্ষণের কঠিন ধাপগুলি পেরিয়ে চারজনই সুস্থ রয়েছেন। প্রতিদিন তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। বাকি যে ধাপটি রয়েছে, তা ভারতেই সম্ভব। মহাশূন্যে পাড়ি দেওয়ার পর শরীরের রক্তচাপ বা অক্সিজেন কমে গেলে, কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেই প্রশিক্ষণ নেওয়া বাকি নভোশ্চরদের। তা শেষ হলেই চূড়ান্ত বাছাই পর্ব। লক্ষ্য ২০২২। মহাকাশে পাড়ি দেবে ভারতের প্রথম মনুষ্য পরিচালিত ‘গগনযান’। তবে ইসরোর আশঙ্কা, মহামারী আবহে পূর্বঘোষিত এই সময় কিছুটা পিছতেও পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ