সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সব কিছু ঠিক থাকলে নতুন বছরের গোড়াতেই আসতে পারে সুখবর। যাকে বলে একেবারে ‘মহাজাগতিক’ সুখবর! ইসরো (ISRO)প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ২০২৪-এর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে গন্তব্য অর্থাৎ ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্ট ওয়ানে (L-1) পৌঁছবে আদিত্য এল-ওয়ান। তার পর শুরু হবে তার আসল কাজ। এখনও পর্যন্ত আদিত্য গতিবিধি থেকে তেমনটাই বোঝা যাচ্ছে।
ইসরো প্রধানের কথায়, ‘‘সঠিকভাবেই কাজ করছে আদিত্য। বর্তমানে যেখানে অবস্থান করছে, সেখান থেকে এল-ওয়ান পয়েন্টে পৌঁছতে আদিত্যর সময় লাগবে প্রায় ১১০ দিন। তাই অঙ্ক বলছে, জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে গন্তব্যে পৌঁছবে আদিত্য। যখন তা হবে, আমরা ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্টের একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে মহাকাশযানটিকে প্রতিস্থাপন করব। মানে হ্যালো অরবিটে। এটা আকারে যথেষ্ট বড়। জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই এই সব কিছু হবে।’’ একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘গগনযান’ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক অভিযান (টেস্ট ভেহিক্যাল ডি-ওয়ান মিশন) হওয়ার কথা আগামী ২১ অক্টোবর।
[আরও পড়ুন: দম্পতিকে আত্মহত্যায় ‘প্ররোচনা’, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আদালতে হাজিরা ‘অভিযুক্ত’ TMC নেতার]
উল্লেখ্য, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর মাটিতে চন্দ্রযান ৩-এর সফল অবতরণের পর আপামর ভারতবাসী আশায় বুক বাঁধছে আদিত্যকে ঘিরেই। গত ২ সেপ্টেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে উড়ে গিয়েছিল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আদিত্য এল-ওয়ান (Aditya L1)। এটিতে রয়েছে সাতটি বিভিন্ন ধরনের পে-লোড। সূর্যের আলোর বৈশিষ্ট্য থেকে শুরু করে অন্যান্য নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর ভার ন্যস্ত হয়েছে এগুলির উপর। আদিত্য গন্তব্যে পৌঁছলে তাকে একটি হ্যালো অরবিটে প্রতিস্থাপন করা হবে। এল-ওয়ান পয়েন্টটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে রয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘বড় ভুল হবে’, গাজা হামলার ছক নিয়ে ইজরায়েলের ‘বিরোধিতা’ বাইডেনের!]
সর্বশেষ খবর
-
‘ইন্ডাস্ট্রির দালাল, মেয়েদের ক্লায়েন্ট দেয়’, স্যান্ডি সাহাকে নিয়ে বিস্ফোরক ‘মা’ খ্যাত তিথি
-
বৃষ্টিতে ভিজে অফিসের এসির নিচে বসেছেন? ব্যাগে এই জিনিসগুলো না থাকলেই বাঁধবে অসুখ
-
হঠাৎই কিমের প্রতি ‘নরম’ ট্রাম্প! দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মহড়া কমালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
-
‘শিল্পে ভরিয়ে দেব, ফিরে আসুন’, পুরুলিয়া থেকে জঙ্গলমহলের পরিযায়ী শ্রমিকদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
-
ভরা বর্ষায় মাখন মেখে হোলি! দেশের এই পাহাড়ি গ্রাম কেন মাতে এমন উৎসবে?