Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Moon

পৃথিবীর নাগাল থেকে পিছলে যাচ্ছে চাঁদ! ক্রমেই বড় হচ্ছে দিন

একদিন ২৪ ঘণ্টার পরিবর্তে দিনের দৈর্ঘ্য হতে পারে ২৫ ঘণ্টাও!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৩, ১৬:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৩, ১৬:৩৮

options
link
পৃথিবীর নাগাল থেকে পিছলে যাচ্ছে চাঁদ! ক্রমেই বড় হচ্ছে দিন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আকাশের চাঁদ (Moon) নিয়ে কতই না কাব্য! শৈশবে যার কাছে ‘টি দিয়ে’ যাওয়ার আবদার, যৌবনে তার জৌলুসেই প্রেমিকার মুখচ্ছবি ফুটে উঠতে দেখা। কিন্তু চাঁদ স্রেফ আকাশের শরীরে ঝুলে থাকা এক সুন্দর মহাজাগতিক বস্তু মাত্র নয়। পৃথিবীর উপরে তার প্রভাব অপরিসীম। যার প্রভাবে জোয়ার-ভাটা হয়। নিয়ন্ত্রিত হয় দিন-রাতও। জানেন কি, এহেন গুরুত্বপূর্ণ চাঁদ সরে যাচ্ছে পৃথিবীর নাগাল থেকে! আর তার ফলে দিন আর ২৪ ঘণ্টায় আঁটছে না। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো তা ২৫ ঘণ্টাও হয়ে যেতে পারে! এমনই সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

চাঁদ ও পৃথিবীর সম্পর্ক বহুদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের বিষয়। আর এই নিরীক্ষণের ফলেই ধরা পড়েছে চাঁদ ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে পৃথিবীর নাগাল থেকে। হিসেব বলছে বার্ষিক ৩.৮ সেমি অর্থাৎ দেড় ইঞ্চি করে সরছে চাঁদ। আর এর ফলে পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূপদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ডেভিড ওয়ালথাম জানিয়েছেন, ”এসবই জোয়ারভাটার ফলে হচ্ছে। আর এর ফলে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতি ক্রমেই কমছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মিটল না মিষ্টি খাওয়ার ‘আবদার’, ইডি হেফাজতে কেমন কাটল অনুব্রতর প্রথম রাত?]

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য ছিল ১৩ ঘণ্টা। সেই দৈর্ঘ্য ক্রমেই বেড়েছে। ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে প্রতি শতাব্দীতে ১.০৯ মিলি সেকেন্ড করে সময় বাড়ছে। অন্য একটা হিসেবে এই বৃদ্ধি ১.৭৮ মিলি সেকেন্ড। এই ভাবে বাড়তে থাকলে একদিন দিনের দৈর্ঘ্য বেড়ে ২৫ ঘণ্টাও হয়ে যেতে পারে।

[আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীর উপাসনা গৃহে ‘রাজনৈতিক’ কথা, উপাচার্যের বিরুদ্ধে মোদিকে চিঠি শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.