Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Pluto

গ্রহের মর্যাদা ফিরে পাবে ‘বামন’ প্লুটো! নাসা কর্তার মন্তব্যে জল্পনা

২০০৬ সাল পর্যন্ত প্লুটোই ছিল সৌরজগতের দূরতম গ্রহ। তাকে গ্রহ বলার বিস্তর কারণও ছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৬, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৬, ১৫:৪৬

options
link
গ্রহের মর্যাদা ফিরে পাবে ‘বামন’ প্লুটো! নাসা কর্তার মন্তব্যে জল্পনা zoom
নাসার সিনিয়র কর্তা আইজ্যাকম্যান ইতিমধ্যেই আবেদন করেছেন প্লুটোর বিষয়টা পুনর্বিবেচনা করার।
Advertisement

২০০৬ সাল পর্যন্ত সে ছিল গ্রহ। কিন্তু ওই বছর থেকে প্লুটো হয়ে গেল ‘বামন গ্রহ’। এরপর কেটে গিয়েছে দুই দশক। আর ফেরেনি প্লুটোর কুলীনত্ব। কিন্তু এবার কি সুদিন ফিরবে সৌরজগতের প্রান্তিক ওই বাসিন্দার? নাসার সিনিয়র কর্তা আইজ্যাকম্যান ইতিমধ্যেই আবেদন করেছেন প্লুটোর বিষয়টা পুনর্বিবেচনা করার।

২০০৬ সাল পর্যন্ত প্লুটোই ছিল সৌরজগতের দূরতম গ্রহ। তাকে গ্রহ বলার বিস্তর কারণও ছিল। প্রথমত, সেও সূর্যকে চক্কর কাটে। দ্বিতীয়ত, তার আকার মূলত গোলাকার। কিন্তু বিজ্ঞানীরা দাবি করেন, কক্ষপথ থেকে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করার মতো পর্যাপ্ত মহাকর্ষীয় শক্তি নেই প্লুটোর। আর সেই কারণেই শেষমেশ বামন গ্রহ হিসেবে প্লুটোকে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়।

Advertisement

২০০৬ সাল পর্যন্ত প্লুটোই ছিল সৌরজগতের দূরতম গ্রহ। তাকে গ্রহ বলার বিস্তর কারণও ছিল। প্রথমত, সেও সূর্যকে চক্কর কাটে। দ্বিতীয়ত, তার আকার মূলত গোলাকার।

গত ২৮ মে আইজ্যাকম্যান এক মার্কিন সেনেট কমিটির সামনে আবেদন করেন, ”আমি আবারও প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতির পক্ষে।” এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, আইজ্যাকম্যান জানিয়েছেন, নাসা বর্তমানে এমন কিছু গবেষণাপত্র নিয়ে কাজ করছে। আর সেসব তারা বৈজ্ঞানিক মহলে উপস্থাপিত করতে চায়। যাতে এই সংক্রান্ত আলোচনার পুনরায় সূত্রপাত ঘটানো যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনকালে প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ক একটি শুনানির সময়ই এই প্রসঙ্গ উঠে এলে আইজ্যাকম্যান এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সাক্ষ্য দেন। আর এরপরই সেনেটর জেরি মোরান তাঁকে প্লুটো প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। সেই সময়ই তিনি জানান, প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক।

১৯৩০ সালে আবিষ্কৃত হয় প্লুটো। যার ব্যাস প্রায় ২,৩৭৬ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর চাঁদের চেয়েও ছোট। এর উপরিভাগ অত্যন্ত শীতল ও বরফাচ্ছন্ন, যেখানে নাইট্রোজেন ও মিথেন গ্যাসের পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে। পরবর্তী সাত দশক গ্রহ হিসেবে টিকে থাকলেও আপাতত বামন হয়েই রয়েছে প্লুটো। সে কি ফের গ্রহের স্বীকৃতি পাবে? আপাতত এই উত্তরের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.