Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
DNA

কেন অধিকাংশ প্রাণীর থেকে বেশিদিন বাঁচে মানুষ? অবশেষে জবাব দিলেন বিজ্ঞানীরা

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত 'নেচার' পত্রিকায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২২, ১৮:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২২, ১৮:২৯

options
link
কেন অধিকাংশ প্রাণীর থেকে বেশিদিন বাঁচে মানুষ? অবশেষে জবাব দিলেন বিজ্ঞানীরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কচ্ছপের মতো প্রাণী ব্যতিক্রম। তাদের বাদ দিলে এই পৃথিবীর অধিকাংশ প্রাণীদের থেকেই দীর্ঘজীবী মানুষ। ঠিক কীভাবে অন্যদের আয়ুর হিসেবে পিছনে ফেলে দিয়েছে তারা? সম্প্রতি এই বিষয়েই আলো ফেললেন বিজ্ঞানীরা। এই গবেষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ব্রিটেনের (UK) ওয়েলকাম স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা মানুষ-সহ ১৬টি প্রজাতির প্রাণীর উপরে গবেষণা চালিয়েছিলেন। তাতেই এই বিষয়ে একটি অন্য দিক উঠে এসেছে। ইঁদুর, সিংহ, জিরাফের পাশাপাশি ‘নেকেড মেল র‍্যাট’ নামের এক ধরনের ইঁদুর, যাদের শরীর অত্যধিক ক্যানসারপ্রবণ, তাদেরও পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।

Advertisement

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যে প্রাণীর জিনগত মিউটেশন (Mutation) যত ধীরগতিতে হয়, সাধারণ ভাবে তারাই তত বেশি দীর্ঘজীবী হয়। বিজ্ঞানীরা খতিয়ে দেখেছেন সেই বিষয়টিই। তাঁদের মূল পর্যবেক্ষণ ছিল বয়স বাড়া ও ক্যানসার- এই দু’টি দিকে। মোট ১৬টি প্রজাতিকে পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। পরীক্ষা থেকে পরিষ্কার, জিরাফের থেকে বেশিদিন বাঁচে মানুষ থেকে বাঘ, সব স্তন্যপায়ীরা।

[আরও পড়ুন: ‘রামচন্দ্র ভগবান নন’, বিজেপির জোটসঙ্গীর মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের ঝড়, সতর্ক করল গেরুয়া শিবির]

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত ‘নেচার’ পত্রিকায়। গবেষণার বিষয়ে বলতে গিয়ে অন্যতম গবেষক ড. অ্যালেক্স ক্যাগান জানিয়েছেন, ”ইঁদুর থেকে বাঘ, নানা ধরনের প্রাণীর শরীরে জিনগত পরিবর্তনের ধাঁচ লক্ষ করে আমরা অবাক হয়ে গিয়েছি। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে মিউটেশনের হারের গতির সঙ্গে আয়ুষ্কালের সম্পর্ক ব্যাস্তানুপাতিক।”

কী করে ধীরে ধীরে একটি শরীর বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যায়, সেপ্রসঙ্গে ওই বিজ্ঞানীর বক্তব্য, ”এটা অত্যন্ত জটিল এক প্রক্রিয়া। আমাদের কোষ ও কলায় যে আণবিক ক্ষতি হতে থাকে তার ফলেই ধীরে ধীরে বুড়িয়ে যায় শরীর। গত শতাব্দীর পাঁচের দশক থেকেই জানা গিয়েছিল ,সোমাটিক মিউটেশনের কথা। কিন্তু আজও একে নিয়ে পরীক্ষা চালানো কঠিন।” তবে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যেই যে এই পর্যবেক্ষণ সম্ভব হল তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: কোভিডে হারিয়েছেন ছেলেকে, সন্তানের মৃত্যুবার্ষিকীর আগের দিনই ফের মা হলেন প্রৌঢ়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.