Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
DNA

প্রাণের রহস্য এবার হাতের মুঠোয়, গবেষণাগারেই DNA বানাবে মানুষ!

'বোতল থেকে দৈত্য বেরিয়ে পড়েছে' আশঙ্কা অনেকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৫, ১৭:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৫, ১৭:৪১

options
link
প্রাণের রহস্য এবার হাতের মুঠোয়, গবেষণাগারেই DNA বানাবে মানুষ! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৮১৮ সাল। প্রকাশিত হল ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন অর দ্য মডার্ন প্রমিথিউস’। যে উপন্যাসে প্রথমবার দেখা মিলল মানুষের হাতে তৈরি অন্য মানুষের! যাকে ঔপন্যাসিক ‘ইট’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ‘খোদার উপর খোদকারি’র সেই অনন্য কল্পনা পাঠককে বুঁদ করে রেখেছে আজও। কিন্তু তা ছিল নিছকই কল্পনা। এবার সামনে এল এমন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার কথা যা বুঝি হার মানাবে কল্পনাকেও!

আসলে কৃত্রিম প্রাণ নয়, প্রাণের বৈশিষ্ট্য যেখানে ‘বাক্সবন্দি’ সেই ডিএনএ এবার পরীক্ষাগারে তৈরি করতে চাইছেন গবেষকরা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিকিৎসা অনুদান সংস্থা ‘দ্য ওয়েলকাম ট্রাস্ট’ ১০ মিলিয়ন পাউন্ড তথা ১১৭ কোটি টাকারও বেশি দান করেছে এই প্রকল্পে। যার সঙ্গে যুক্ত অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, ইম্পেরিয়াল কলেজের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের তাবড় জিন বিশেষজ্ঞ। লক্ষ্য পরীক্ষাগারেই ডিএনএ তৈরি করা।

Advertisement

মানুষের জীবনের একক ধরা হয় ডিএনএ-কে। প্রকল্পের অন্যতম অংশীদার ড. জুলিয়ান সেল বিবিসিকে বলছেন, ”আকাশই আমাদের সীমানা। মানুষের যত বয়স বাড়বে তত যেন তার স্বাস্থ্য আরও মজবুত হয়, কম অসুখ হয় সেটা নিশ্চিত করতে আমরা প্রয়োজনীয় থেরাপি আবিষ্কার করতে চাই।” আর সেই কারণেই তাঁদের লক্ষ্য সম্পূর্ণ কৃত্রিম মানব ক্রোমোজোম তৈরি করা। যা মানুষের ডিএনএ-র প্রায় দুই শতাংশ। তবে চূড়ান্ত লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ কৃত্রিম ক্রোমোজোম তৈরি করে ফেলা।

ড. জুলিয়ান বলছেন, ”আমরা এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে রোগ-প্রতিরোধী কোষ তৈরি করতে চাইছি যা আমরা ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহার করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, যকৃত, হৃদপিণ্ড, এমনকী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কথা বলা যায়।”

এখনও পর্যন্ত জীবন্ত শরীরের ডিএনএ ব্যবহার করে পরিবর্তিত ডিএনএ নির্মাণ করা যায়। কিন্তু এই পরীক্ষা সফল হলে ডিএনএ কীভাবে কাজ করে তা সম্পূর্ণ বুঝে ফেলা যাবে। তবে এই পরীক্ষা নিয়ে সকলেই খুশি নন। এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিল আর্নশ বলছেন, এই প্রযুক্তি নিয়ে বাণিজ্য শুরু করতে পারে চিকিৎসা সংক্রান্ত সংস্থাগুলি। তাঁর আশঙ্কা, ”বোতল থেকে দৈত্য বেরিয়ে পড়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.