Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sleep

বাঁদরের থেকে কম ঘুমিয়েই পৃথিবীর রাশ মানুষের হাতে! আশ্চর্য দাবি বিজ্ঞানীর

বিবর্তনের ধারায় বাকিদের পিছনে ফেলতে ঘুম কীভাবে হয়ে উঠল নিয়ন্ত্রক?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৬:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৬:৩৭

options
link
বাঁদরের থেকে কম ঘুমিয়েই পৃথিবীর রাশ মানুষের হাতে! আশ্চর্য দাবি বিজ্ঞানীর zoom
ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
Advertisement

ঘুমোতে কে না ভালোবাসে? ক্লান্তিকে মুছে তরতাজা হয়ে ওঠার এমন ‘বড়ি’ আর কোথায়! কিন্তু ঘুম কেবল সেটুকুতেই আবদ্ধ নয়। এমনটাই বলেন বিজ্ঞানীরা। এবার বিজ্ঞানী ডেভিড আর স্যামসন জানালেন এক আশ্চর্য কথা! তাঁর মতে, বাঁদরের থেকে কম ঘুমিয়েই এই পৃথিবীর সেরা প্রাণীতে পরিণত হতে পেরেছে মানুষ।

‘দ্য স্লিপলেস এপ: দ্য স্টোরি অফ স্লিপ ইন হিউম্যান ইভোলিউশন’ নামে একটি বই লিখেছেন বিবর্তনীয় নৃবিজ্ঞানের ওই অধ্যাপক। কানাডার টরন্টো মিসিসাগা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লিপ অ্যান্ড হিউম্যান ইভোলিউশন ল্যাবের পরিচালক স্যামসন গবেষণা করেছেন আদিম মানব থেকে আজকের আধুনিক মানুষ হয়ে ওঠার পথে কীভাবে ঘুমের বিবর্তন ঘটেছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি এক পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিতে এসে স্যামসন বলেন, “আমার গবেষণার মূল প্রশ্নটিই ছিল, মানুষকে অনন্য করে তুলেছে কোন কোন বিষয়?” স্যামসন উল্লেখ করেন, মানুষ নানাভাবেই অনন্য। শরীরের আকারের তুলনায় মানুষের অস্বাভাবিক বড় মস্তিষ্ক এবং জটিল সামাজিক সহযোগিতার উপরে মানুষের নির্ভরতা। ধারালো নখ বা বিশাল শ্বদন্ত না থাকা সত্ত্বেও মানুষ বিবর্তনের মাধ্যমে এই গ্রহের প্রধান প্রজাতিতে পরিণত হয়েছে। এবং পৃথিবীর সব ধরনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রে টিকে থাকা, মানিয়ে নেওয়া ও সমৃদ্ধি লাভ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। আর এরপরই স্যামসন বলেছেন, “এই চমৎকার সব অভিযোজন-ক্ষমতার মূলে রয়েছে আমাদের ঘুম। ঘুম ছাড়া এর কোনওটাই সম্ভব হত না।”

আধুনিক যুগে ঘুমের সমস্যা নিয়েও প্রচলিত ধারণার বিপরীতে গিয়ে স্যামসন তাঁর গবেষণায় ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরেছেন। আজকাল প্রায়শই বলা হয় যে, আমাদের মানসিক চাপপূর্ণ শহুরে জীবনযাত্রার কারণে এক ধরণের ‘ঘুমের মহামারি’ দেখা দিয়েছে, যেখানে কেউই পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারছে না। কিন্তু স্যামসন লক্ষ্য করেছেন যে, আধুনিক সমাজে বসবাসকারী মানুষ—যাদের ক্ষেত্রে গড়ে সাত ঘণ্টার কম সময় ঘুমানোটা স্বাভাবিক— তারা আসলে আদিম শিকারি মানুষদের তুলনায় প্রায় ৪৫ মিনিট বেশি সময় ধরে ঘুমায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.