সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পৃথিবীর পড়শি হিসেবে মঙ্গল নিয়েই বরাবর আগ্রহ বেশি মহাকাশপ্রেমী তথা বিজ্ঞানীদের। মহাকাশের লাল লণ্ঠনে কি প্রাণ রয়েছে? এপ্রশ্ন যুগ যুগ ধরে ভাবিয়ে এসেছে। সেই মঙ্গলের মাটিতে কিনা কিলবিল করতে দেখা গেল মাকড়সা! আজ নয়, ২০০৩ সাল থেকেই এমনটা দেখতে পাওয়া গিয়েছে। এক নয়, একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহের তোলা ছবি ঘিরে ঘনিয়েছে বিস্ময়। অবশেষে এর সমাধান করলেন বিজ্ঞানীরা।
মঙ্গলের নানা অঞ্চলেই দেখা গিয়েছে, শয়ে শয়ে অন্ধকার কাঁকড়ার মতো সন্ধিপদ প্রাণী কিলবিল করছে। প্রায় ৩ হাজার ৩০০ মিটার বিস্তৃত এলাকায় ওই মাকড়সাদের ছড়িয়ে পড়া প্রথমবার ২০০৩ সালে এক মার্স অর্বিটার খুঁজে পায়। প্রথমে স্বাভাবিক ভাবেই রহস্য ছিল তুঙ্গে। এমনও মনে করা হতে থাকে, তাহলে কি মঙ্গলে মনুষ্যেতর প্রাণী রয়েছে?
পরে অবশ্য বিষয়টা পরিষ্কার হয়। বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত মাকড়সা বলে যেটা মনে হচ্ছে, সেটা আসলে কার্বন ডাই অক্সাইডের বরফ। তা যখন গলে গিয়ে তরলে না পরিণত হয়ে সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হতে থাকে তখন সেটাকেই দেখলে মাকড়সা বলে মনে হয়। সম্প্রতি ‘দ্যা প্ল্যানেটরি সায়েন্স’ জার্নালে এই সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। সেখানেই এই দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পৃথিবীর রসায়নাগারে বসেও এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এবং তাতেই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন গবেষকরা।
গবেষকপত্রটির লেখক লরেন ম্যাক কেওন জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছর ধরে তিনি এই নিয়ে গবেষণা করছেন। এবং অবশেষে হাতেকলমে তা করে দেখিয়েছেন। এবং তা আবিষ্কার করে তিনি অভিভূত। তাঁর কথায়, ”আমি এমন চিৎকার করে উঠেছিলাম আমার ল্যাব ম্যানেজার আঁতকে ওঠেন। তিনি ভেবেছিলেন কোনও দুর্ঘটনা ঘটেছে।”
সর্বশেষ খবর
-
দুই পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে ট্রেকিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ! উত্তর কাশীর এমবিএ পড়ুয়ার নিরুদ্দেশ ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে