Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬

‘আইনস্টাইনের থিওরির চেয়েও বেদকে বড় বলে মেনে নিয়েছিলেন হকিং’

আজব তত্ত্ব কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান মন্ত্রী হর্ষবর্ধনের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ১৯:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ১৯:৪৪

options
link
‘আইনস্টাইনের থিওরির চেয়েও বেদকে বড় বলে মেনে নিয়েছিলেন হকিং’ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইনস্টাইনের থিওরি অফ রিলেটিভিটির (E = mc^2) চেয়েও বড় তত্ত্ব রয়েছে বেদ-এ। একথা নাকি স্বীকার করে নিয়েছিলেন সদ্য প্রয়াত কসমোলজিস্ট স্টিফেন হকিং।  ১০৫-তম সায়েন্স কংগ্রেসে যোগদান করে এমন মন্তব্যই করলেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হর্ষবর্ধন। তবে তিনি কোথা থেকে হকিংয়ের এই বক্তব্য তিনি জানতে পারলেন, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন মন্ত্রী।

[গুগলে এই চারটি শব্দ লিখলেই মিলছে আধারের তথ্য, শিকেয় নিরাপত্তা]

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সদ্যই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংকে হারিয়েছি। তিনি কিন্তু বলে গিয়েছিলেন, যে আইনস্টাইনের E = mc^2 থিওরির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব আমাদের বেদ-এ থাকতে পারে।’ মন্ত্রীর কাছ থেকে যখন জানতে চাওয়া হয়, কোথা থেকে তিনি এই তথ্যটি পেলেন, উত্তরে হর্ষবর্ধন বলেন, ‘আপনরাই খুঁজুন। এটা অন রেকর্ড উনি বলেছেন। আইনস্টাইনের চেয়েও অনেক ভাল ভাল ফরমুলা বেদ-এ রয়েছে বলে উনি বলে গিয়েছিলেন কিন্তু। আপনারা কষ্ট করে সেগুলো খুঁজে বার করুন।’ তিনি আশ্বাস দেন, যদি সাংবাদিকরা এই তথ্যের উৎস খুঁজে না পান, তিনি দিল্লিতে ফের যেদিন আসবেন- বলে দেবেন কোথায় মিলবে এই তথ্য।

Advertisement

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানমন্ত্রীর মন্তব্য বলে কথা! তিনি কোথা থেকে হকিংয়ের সঙ্গে বেদের যোগসূত্র খুঁজে পেলেন, জানতে শুরু হল গুগল সার্চ। গুগলে দেখা গেল, www.Servveda.Org নামে একটি ওয়েবসাইট এমন দাবি করেছে। ওয়েবসাইটটির দাবি, তারা বেদ নিয়ে যাবতীয় আধুনিক গবেষণা করে। এবার কোথা থেকে তারাই বা ওই তত্ত্ব পেল? শেষে দেখা গেল, স্টিফেন হকিংয়ের একটি জাল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ওই বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। আর এরপর থেকেই বিশিষ্টজনদের একাংশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, খোদ মন্ত্রীর কাছেই যদি তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে কোনও উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ না থাকে, তাহলে এরকম সায়েন্স কংগ্রেসের আয়োজন করার যৌক্তিকতা কোথায়?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.