Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Climate Change

প্রযুক্তি দিয়ে পরিবেশের ক্ষয়রোধ সম্ভব নয়, বরিস জনসনের ধারণা ভেঙে দিলেন বিশেষজ্ঞরা

পরিবেশ সংক্রান্ত আইন সংশোধনের পথে হাঁটতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২০, ১৪:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২০, ১৪:১০

options
link
প্রযুক্তি দিয়ে পরিবেশের ক্ষয়রোধ সম্ভব নয়, বরিস জনসনের ধারণা ভেঙে দিলেন বিশেষজ্ঞরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রযুক্তি (Technology) ব্যবহার করে কখনও আবহাওয়া পরিবর্তনের (Climate Change) রোগ ঠেকানো যাবে না। এর জন্য কোনও অভ্রান্ত দাওয়াইও নেই। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে স্পষ্টভাবেই সেকথা জানিয়ে দিলেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ব্রিটেনের আইনসভায় পরিবেশ সংক্রান্ত আইন সংশোধনের পরিকল্পনা চলছে। তা পাকাপোক্তভাবে করার আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)। তাঁর আশা ছিল, ঠিকমতো প্রযুক্তি ব্যবহারেই কার্বন নিঃসরণের মতো বিপজ্জনক ঘটনা কমিয়ে ফেলা সম্ভব। কিন্তু সেই আশায় কার্যত জল ঢেলে দিলেন বিশেষজ্ঞরা। বরং তাঁরা জীবনযাপনের ধারা বদলের পথ দেখালেন। তা রাষ্ট্রনায়ক থেকে সাধারণ মানুষ, সকলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

সৌরশক্তি কিংবা বায়ুচালিত শক্তিকে বেশি করে কাজে লাগানো – তা তো প্রযুক্তিরই দান। বরিস জনসন চাইছিলেন, এসব অপ্রচলিত শক্তির উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা তৈরি করে পরিবেশ রক্ষার পথে হাঁটতে। এভাবে কার্বন নিঃসরণও কমানো সম্ভব বলে বিশ্বাস তাঁর। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা সাফ জানালেন, ওভাবে সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য সামাজিক এবং আর্থিক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট এবং যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমজনতাকেও এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। গাড়ি, বিমানে কম চড়া, মাংস এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের উপর নির্ভরশীলতার কমিয়ে ফেলার মতো অভ্যেসে বদল ঘটানো অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করতেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মরুভূমির মাঝে বহমান নদী! প্রায় ২ লক্ষ বছর আগের জলধারার খোঁজ মিলল রাজস্থানের থরে]

পরিবেশ রক্ষায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ধারণা, বিশ্বাস কতটা দূরবর্তী, তাও বিশেষজ্ঞরা বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রতি ক্ষেত্রে উদাহরণ টেনে। ধরা যাক, প্রধানমন্ত্রী গাড়ি ব্যবহার করছেন। তা ব্যাটারিচালিত অথবা হাইড্রোজেন থেকে প্রাপ্ত শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এখন গাড়ি রাস্তায় চলার ফলে কিছুটা হলেও কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে, হয়ত পেট্রল-ডিজেলের তুলনায় তা কম। কিন্তু ক্ষতিকারক গ্যাস তো সামান্য হলেও বাতাসে মিশছে। পরিবেশবিদদের মতে, আজকের পরিস্থিতিতে দূষণ কমানোর সবচেয়ে উপযুক্ত উপায় শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এর সমাধান হিসেবে তাঁদের পরামর্শ, গাড়ির উপর কর অনেকটা চাপিয়ে দিতে, যাতে তা কিনে ব্যবহারের মতো সিদ্ধান্ত সহজে নিতে না পারেন আমজনতা। আকাশপথে পরিবহণের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ‘জেট জিরো’ নীতির কথা। করোনা পরিস্থিতিতে এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ বলে মনে করেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ভিনগ্রহীদের নজরে পৃথিবী, নক্ষত্র চিহ্নিত করে দাবি বৈজ্ঞানিকদের]

একইভাবে কলকারখানা এবং দুগ্ধজাত শিল্পে বেশ কয়েকটি কঠোর পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে দূষণ কমানোর কথা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়, কোনও প্রযুক্তি দিয়ে পরিবেশের ক্ষয় রুখে দেওয়া সম্ভব নয়, এটাই তাঁরা বারবার বুঝিয়েছেন জনসনকে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে পরিবেশ সংক্রান্ত আইন সংশোধনের জন্য নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ব্রিটিশ সরকারকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.