BREAKING NEWS

১০ মাঘ  ১৪২৮  সোমবার ২৪ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

শেষ ইচ্ছায় শচীনকে দেখতে চেয়েছিলেন এই ক্যানসার আক্রান্ত রোগী, স্বপ্নপূরণ হল কি?

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 22, 2017 4:02 pm|    Updated: July 22, 2017 4:02 pm

A dying woman’s last wish to meet Sachin Tendulkar was fulfilled

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাকি দুনিয়ার কাছে যা নেই সেই শচীন তেণ্ডুলকর আছে ভারতের কাছে। এই গর্বে আজও গর্বিত দেশবাসী। ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন আগেই। কিন্তু সেই মাস্টার ব্লাস্টারের প্রতি ফ্যানদের ভক্তি, শ্রদ্ধা, ভালবাসা যে এতটুকু কমেনি, ফের তারই প্রমাণ মিলল। মৃত্যুর আগে শেষ ইচ্ছায় শচীনকে দেখতে চেয়েছিলেন এক মহিলা ভক্ত।

মারণ রোগ ক্যানসারে ভুগছিলেন কেরলের এক মহিলা। নিশ্চিত মৃত্যু জেনে স্বামীকে নিজের শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। ইহলোক থেকে চিরজীবনের মতো বিদায় নেওয়ার আগে একবার ক্রিকেট ঈশ্বরকে চোখের দেখা দেখতে চান। গত মঙ্গলবার ফেসবুকে সেই অভিজ্ঞতার কথাই জানালেন এন রমেশ কুমার। পালাক্কাড় জেলার বাসিন্দা জানাচ্ছেন, সেই সময় ক্যানসারের সঙ্গে বাঁচার যুদ্ধ চালাচ্ছিলেন তাঁর স্ত্রী আশু। চলছিল কেমোথেরাপি। সেই যন্ত্রণার মধ্যেই স্বামীকে জানিয়েছিলেন, শচীন তেণ্ডুলকরকে একবার সামনে থেকে দেখতে চান।

[নাম পালটে সম্পূর্ণ ‘বাঙালি’ হতে চলেছে এটিকে!]

ঘটনা গত বছর ৬ অক্টোবরের। খবরের কাগজে আশু পড়েছিলেন, ইন্ডিয়ান সুপার লিগে কেরল ব্লাস্টার্সের কর্ণধার হিসেবে কোচি আসছেন শচীন। তখনই রমেশকে জানান, তাঁকে যেন স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়। শচীনকে দেখলেই মন ভাল হয়ে তাঁর। বলেছিলেন, “মৃত্যুকে ভয় পাই না। কিন্তু একবার শচীনকে দেখতে চাই। আমায় নিয়ে চল।” যন্ত্রণাকাতর স্ত্রীর অনুরোধ ফেলতে পারেননি রমেশ। কোনওরকমে ম্যাচের টিকিট জোগাড় করে পৌঁছে যান কালুর স্টেডিয়ামে। কিন্তু ক্যানসারের রোগীকে সেই ভিড়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া তো সহজ ছিল না। পুলিশও তাঁদের সাহায্য করে। স্টেডিয়ামের বাইরে রাখা ছিল অ্যাম্বুল্যান্সও। স্টেডিয়ামে পৌঁছতেই স্বপ্নপূরণ হল আশু। যাঁকে এত বছর ধরে বাইশ গজে দাপটের সঙ্গে ব্যাটিং করতে দেখেছেন, তিনিই দাঁড়িয়েছিলেন চোখের সামনে। আশুর চোখ দিয়ে ঝরে পড়ছে আনন্দাশ্রু। জানতেন, এই শেষবার। আর কখনও শচীনকে দেখতে পাবেন না। তাঁর গলা শুনতে পাবেন না। কারণ সব ছেড়ে জীবন থেকেই ছুটি হয়ে যাবে তাঁর। তাই
শচীনের উপস্থিতির প্রতিটি মুহূর্তকে মনের মধ্যে আগলে রাখছিলেন আশু। না, শচীন সে মুহূর্তে ভিড়ে বসে থাকা ভক্তের মনের খবর জানতেও পারেননি। কিন্তু অজান্তেই আশুকে জীবনের অনেকটা খুশি উপহার দিলেন মাস্টার ব্লাস্টার।

[বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মিতালিদের নিয়ে এই ভবিষ্যদ্বাণীই করলেন সৌরভ]

রমেশ বলছেন, এই পোস্টটি কোনও সহানুভূতি আদায়ের জন্য করেননি। এ বার্তা ক্যানসার রোগীদের জন্য। মৃত্যুর কাছে যেন তাঁরা আগে থেকে হার না মেনে নেন। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আনন্দে থাকার দৃষ্টান্ত তৈরি করে দিয়ে গিয়েছেন তাঁর প্রয়াত স্ত্রী। মানুষের কাছে সেই উদাহরণই তুলে ধরলেন রমেশ।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে