Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬
Adrian Karmakar

অতিরিক্ত গরমে নাক থেকে রক্তপাত, তবু রেকর্ড গড়ে সোনা জয় আদ্রিয়ানের

এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতেছেন জয়দীপ কর্মকারের পুত্র আদ্রিয়ান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৫, ২৩:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৫, ২৩:৫২

options
link
অতিরিক্ত গরমে নাক থেকে রক্তপাত, তবু রেকর্ড গড়ে সোনা জয় আদ্রিয়ানের zoom
Advertisement

শিলাজিৎ সরকার: আগস্ট শেষ হয়ে এসেছে। তবে কাজাখস্তানের শ্যামখন্দ শহরটা এখনও বেশ গরম। আর বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতা একেবারেই কম হওয়ায়, সেই গরম সময়ে সময়ে অসহ্য হয়ে ওঠে। এমনকী অতিরিক্ত গরমে নাক থেকে রক্তপাত হওয়াটাও এখানে বিশেষ বিরল ঘটনা নয়।

বাংলার শুটার আদ্রিয়ান কর্মকারেরও রক্ত ঝড়েছে শ্যামখন্দে। এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের জুনিয়র পর্যায়ে লড়াই করতে কাজাখস্তানে এসেছেন অলিম্পিয়ান শুটার জয়দীপ কর্মকারের পুত্র। কিন্তু এখানে যে এমন আবহাওয়ার মোকাবিলা করতে হবে, বুঝতে পারেননি এই বঙ্গ তরুণ। মাঝে নাক থেকে রক্তপাতও হয়েছে তাঁর। তবে রবিবার ৫০ মিটার থ্রি পজিশনে জোড়া সোনা জয়ের ক্ষেত্রে আদ্রিয়ানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি কোনও সমস্যাই। সকালে এই ইভেন্টে দলগত বিভাগে সোনা আসে আদ্রিয়ানের ঝুঁলিতে। তাঁর সঙ্গে দলে ছিলেন বেদান্ত ওয়াঘমারে ও রোহিত কানিয়ান। যোগ্যতা অর্জন পর্বে মোট ১৭৩৩ পয়েন্ট স্কোর করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তাঁরা। এরমধ্যে বেদান্ত ৫৮২, আদ্রিয়ান ৫৭৬ এবং রোহিত ৫৭৫ পয়েন্ট পান। তাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার থেকে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় ভারত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যোগ্যতা অর্জন পর্বটা অবশ্য ভালো কাটেনি আদ্রিয়ানের। তাঁর মতো ৫৭৬ পয়েন্ট পান উজবেকিস্তানের নিকিতা সোকোলভও, তবে কেন্দ্রে কাছে বেশিবার পৌঁছানোর জেরে অষ্টম হয়ে ফাইনালে চলে যান তিনি। সেখানে যেন দেখা গেল অন্য আদ্রিয়ানকে। ব্যক্তিগত ইভেন্টে ৪৬৩.৮ পয়েন্ট স্কোর করেন আদ্রিয়ান, যা জুনিয়র পর্যায়ে মহাদেশীয় রেকর্ড। কেন শুরুতে সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি? আর পরিবর্তন হল কীভাবে? শ্যামখন্দ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কলে আদ্রিয়ান বলছিলেন, “প্রথমদিকে আমাদের ইভেন্ট আউটডোরে হয়। হাওয়ার জন্য সমস্যায় পড়ছিলাম। পরে ফাইনাল ইন্ডোরে হওয়ায় আর কোনও সমস্যা হয়নি। তবে এটা আমার কাছে একটা শিক্ষা। পরবর্তীতে এমন পরিস্থিতিতে আরও ভালোভাবে পারফর্ম করতে পারব।” যোগ্যতা অর্জন পর্বের পর বাবার পরামর্শও সাহায্য করেছে জয়দীপ-পুত্রকে।

এর আগে জার্মানিতে জুনিয়র বিশ্বকাপে পদক পেয়েছেন আদ্রিয়ান। আবার এদিন সোনা জিতলেন মহাদেশীয় রেকর্ড গড়। তবে দুই জয়ে কোনও তুলনায় নারাজ তিনি। বরং দু’টো সাফল্যকে দেখছেন নিজের পারফরম্যান্স আরও উন্নত করার সুযোগ হিসাবে। ২৮ আগস্ট প্রতিযোগিতায় নিজের পরবর্তী ইভেন্টে নামছেন তিনি। আপাতত সেদিকেই ফোকাস করছেন এই বঙ্গ শুটার। সেখান থেকে আরও সোনা গলায় ঝোলানোই এখন লক্ষ্য আদ্রিয়ানের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.