Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬

ফ্রান্সের হাত ধরে বিশ্বকাপে স্বপ্নপূর্ণ আফ্রিকার! অপেক্ষা ফাইনালের

আজ ইংল্যান্ডকে সমর্থন করবে আফ্রিকা!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৬:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৬:৪৯

options
link
ফ্রান্সের হাত ধরে বিশ্বকাপে স্বপ্নপূর্ণ আফ্রিকার! অপেক্ষা ফাইনালের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আফ্রিকায় নাকি একটি অঘোষিত নিয়ম আছে। বিশ্বকাপে যদি নিজেদের দেশ সুযোগ না পায় তাহলে আফ্রিকারই অন্য দেশকে সমর্থন করতে হবে আফ্রিকানদের। যে সমস্ত দেশ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে তারা যদি ছিটকে যায় তাহলে অন্য আফ্রিকার দেশকেই সমর্থন করেন আফ্রিকানরা। এমনকি যদি সে আপনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীও হয় তবু আফ্রিকার দেশকে সমর্থন করায় রীতি আফ্রিকায়। ভারত বা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলি যেমন ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা বা জার্মানির হয়ে গলা ফাটায় তেমন রীতি নেই আফ্রিকায়। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জন্য গলা ফাটাচ্ছে আফ্রিকার প্রায় এক ডজন দেশ। কারণটা কী?

[‘হিরো’ থাইল্যান্ডের খুদে ফুটবলাররাই, সেমিফাইনালের জয় উৎসর্গ পোগবার]

আসলে এবারের বিশ্বকাপে যে পাঁচটি আফ্রিকার দেশ সুযোগ পেয়েছিল তাঁরা কেউই গ্রুপ পর্বের বাধা টপকাতে পারেনি। সেনেগাল, নাইজেরিয়া, মরক্কোর মত দেশগুলি বলাই করে বিদায় নিলেও সেভাবে দাগই কাটতে পারেনি তিউনিশিয়া এবং মহম্মদ সালাহর মিশর। বলা যায়, গ্রুপ পর্বেই প্রায় শেষ হয়ে যেতে বসেছিল আফ্রিকার বিশ্বকাপ। কিন্তু তা বাঁচিয়ে রাখল ফ্রান্স।

Advertisement

[বিদায়বেলায় চিঠি লিখে আবেগে ভাসলেন জুভেন্তাসের রোনাল্ডো]

আসলে ভারতের মতো ফ্রান্সও বহুত্বে বিশ্বাসী। গোটা পৃথিবীর বিশেষ করে আফ্রিকার বেশ কিছু দেশের মানুষের বাস ফ্রান্সে। তাই ফ্রান্সের জাতীয় দলের ফুটবলরাদেরও একটা বড় অংশের আফ্রিকার সঙ্গে নাড়ির যোগ রয়েছে। মানে তাঁরা হয় আফ্রিকার বংশোদ্ভুত বা তাদের বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন আফ্রিকার বাসিন্দা। ফ্রান্সের বিশ্বকাপ দলের ২৩ জন সদস্যের মধ্যএ ১২ জনের রয়েছে আফ্রিকার কানেকশন। এর মধ্যে রয়েছেন এই বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে (আলজেরিয়া), পল পোগবা (গিনি), এনগোলো কন্তে (মালি), স্যামুয়েল উমতিতি (ক্যামেরুন)। এছাড়াও রয়েছেন ওসুমানে ডেম্বেলে (সেনেগাল), ব্লাইস মাতুইডি (কঙ্গো) , নবিল ফেকিরের (আলজেরিয়া) মতো ফুটবলাররা। যারা প্রায়ই প্রথম একাদশে থাকেন বা পরিবর্ত ফুটবলার হিসেবে নামেন। এক কথায় বলা যায়, ফ্রান্সের দলটা গোটা আফ্রিকা মহাদেশের মিনি সংস্করণ। স্বাভাবিকভাবেই আফ্রিকা গলা ফাটাচ্ছে ফ্রান্সের জন্যই। আজ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে অবশ্য আফ্রিকার দুটি দেশের পছন্দ ইংল্যান্ড। কারণ ইংল্যান্ডের দুই তারকা ডেলে আলি (নাইজেরিয়া) এবং ডানি ওয়েলবেকেরও (ঘানা) আফ্রিকার সঙ্গে যোগ রয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.