Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ঘরের মাঠে কাটল খরা, পুণেকে হারিয়ে জয়ে ফিরল এটিকে

গারসন ভিয়েরার একমাত্র গোলে জয়ী হল এটিকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৮, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৮, ২১:৩৫

options
link
ঘরের মাঠে কাটল খরা, পুণেকে হারিয়ে জয়ে ফিরল এটিকে zoom

এটিকে- ১ (গারসন)

এফসি পুণে সিটি- ০

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘরের মাঠ যেন হয়ে উঠেছিল দুঃস্বপ্নের মঞ্চ। যুবভারতীতে চলতি মরশুমে চার ম্যাচ খেলে তিন ম্যাচে হার ডুটেছিস কপালে। কিন্তু শনিবাসরীয় যুবভারতী যেন আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াল এটিকের কাছে। এফসি পুণে সিটির বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তের গোলে ফের জ্বলে উঠল এটিকে। স্বস্তি পেলেন ব্রিটিশ কোচ স্টিভ কপেল। ব্যর্থতাকে দূরে ঠেলে ফের জয়ের সরণিতে ফিরল আমার তোমার কলকাতা। গারসন ভিয়েরার একমাত্র গোলে জয়ী হল এটিকে।

[ডিকার জোড়া গোলে আই লিগে জয়ের সরণিতে মোহনবাগান]

এদিন ঘরের মাঠে বিপরীতে এমন একটা টিম যারা এখনও জয়ের মুখ দেখেনি আইএসএলে। তবে পুণে সিটি ম্যাচকেই আবার ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হিসাবে দেখছিলেন এটিকের ব্রিটিশ কোচ স্টিভ কপেল। কিন্তু যুবভারতীতে চারটে ম্যাচে তিনটে হার চিন্তায় রেখেছিল দলকে। গোদের উপর বিষফোড়ার মতো এটিকে শিবিরে টেনশনের চোরাস্রোতের নাম ছিল কালু উচে। বেঙ্গালুরু ম্যাচে যিনি কোয়াডরিসেপস মাসলে চোট পান। এমআরই-র পরে আবার ধরা পড়ে গ্রেড থ্রি টিয়ার হয়েছে। কপেলের মতে, কালুর চোট তাঁর দলের জন্য বড় ধাক্কা। কালুর মতো বিদেশিকে প্রায় অনেকদিন না পাওয়া বেশ টেনশনের ব্যাপার। অন্যদিকে, সমস্যায় জর্জরিত পুণে সিটিও। শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় দলের সেরা ফরোয়ার্ড মার্সেলিনহো খেলতে পারেননি। দিয়েগো কার্লোসের সাসপেনশন। মার্সেলিনহো না থাকায় সেট পিস থেকে গোল করার অভাব। এদিন ম্যাচেও সেটা চোখে পড়ল। শুরু থেকেই গোলের জন্য ঝাঁপায় মরিয়া এটিকে। বলবন্ত-রবিন সিংরা বেশ বেগ দেন পুণের ডিফেন্ডারদের। কিন্তু বক্সের মধ্যে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলমুখ খুলতে পারছিলেন না তাঁরা।

[যুবভারতীতে আজ পুণের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া এটিকে]

বিরতির পর চেষ্টা আরও বাড়ায় এটিকে। তবে বক্সের মধ্যে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছিল। বোঝাপড়ার অভাবে চোখে পড়ল। ৮২ মিনিটের মাথায় জয়েশ রাণের ক্রস থেকে শূন্যে ভেসে হেড দেন গারসন ভিয়েরা। আসে বহু কাঙ্খিত গোল। ম্যাচের শেষ লগ্নে যা পুণের কফিনে পেরেক পোঁতার জন্য যথেষ্ট ছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.