Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু প্রতিভাবান ব্যাডমিন্টন তারকার

গাফিলতির অভিযোগ রেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০১৮, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০১৮, ১৯:৫৩

options
link
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু প্রতিভাবান ব্যাডমিন্টন তারকার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নারকেলডাঙা কারশেডে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল প্রতিভাবান ব্যাডমিন্টন তারকার। মৃত তৃণাঙ্কুর নাগ, রাজ্যস্তরের সেরা ব্যাডমিন্টন তারকাদের মধ্যে অন্যতম। ডাবলসে ছিলেন রাজ্যের সেরা। জাতীয় স্তরেও তিনি ছিলেন প্রথম সারিতে। কিন্তু, ২৫ বছর বয়সেই অকালে প্রাণ হারালেন প্রতিভাবান তৃণাঙ্কুর নাগ। তাঁর মৃত্যুতে গাফিলতির অভিযোগ উঠল অফিস, ইস্টার্ন রেলের শিয়ালদহ শাখার বিরুদ্ধে। নারকেলডাঙা কারশেডে শনিবার ইলেকট্রিকের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিলেন তৃণাঙ্কুর। সংকটজনক পরিস্থিতিতে বি.আর. সিং হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

[নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে ক্যারাটে প্রশিক্ষকের ঘুসিতে মৃত্যু বৃদ্ধার]

বছর পাঁচেক আগে স্পোর্টস কোটায় রেলে কাজ পেয়েছিলেন তৃণাঙ্কুর। যেহেতু, দশম শ্রেণির পর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল না, তাই ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে তাঁকে রাখা হয়েছিল। একটি ট্রেনিংয়েরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল রেলের তরফে। কিন্তু, খেলার কারণে তৃণাঙ্কুর বেশিরভাগ সময়েই ট্রেনিংয়ে অনুপস্থিত থাকতেন । কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁকে কাজ করার উপযুক্ত বলে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। তাঁকে নিয়মিত হাইটেনশন তারে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হত। ফলে, ট্রেনের ছাদে দাঁড়িয়ে ২৪০০০ ভোল্টের বিদ্যুতে কাজ করতে হত দিনের পর দিন। আর সেই কাজ করতে করতেই আক্রান্ত হন তিনি।

Advertisement

[দীর্ঘ আন্দোলনের পর হিন্দু হস্টেল ফিরে পেলেন প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা]

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কাজের জন্য ইঞ্জিনিয়ারের যোগ্যতা প্রয়োজন। প্রয়োজন, ঠিকঠাক ট্রেনিংয়ের। যার কোনওটাই ছিলেন না তৃণাঙ্কুরের। ফলে, বিপদের আশঙ্কা থেকে গিয়েছিল। তৃণাঙ্কুর সেজন্যই বারবার আবেদন করেছিলেন অন্য দপ্তরে তাঁর বদলির জন্য। জানিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে এই কাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ, এই কাজ করার প্রশিক্ষণ তাঁর নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ করেছিলেন বদলির জন্য। বলেছিলেন, অন্য কোনও কাজ দিতে। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেননি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তৃণাঙ্কুরের পরিবারের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন তিনি। কিন্তু এরই মধ্যে এভাবে ছেলেকে হারাতে হবে, ভাবেননি তৃণাঙ্কুরের বাবা-মা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.