১৪ মাঘ  ১৪২৯  রবিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ 

READ IN APP

Advertisement

ভবানীপুর ক্লাবে দীপাকে ঘিরে আবেগের ঢল

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: September 19, 2016 1:48 pm|    Updated: September 19, 2016 1:48 pm

Bhowanipore Club felicitates Dipa Karmakar on 19th  September

স্টাফ রিপোর্টার: সকালের ভবানীপুর তাঁবুতে তখন উৎসবের মেজাজ৷ খুদেরা হাতে গোলাপের পাপড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে দীপাদিদির অপেক্ষায়৷ প্রধান ফটকের উপর দীপার বিশাল ছবি৷ রাস্তা থেকে তাঁবু পর্যন্ত সবুজ কার্পেট৷ তার মধ্যে দিয়েই দীপা ও তাঁর কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী এলেন সাড়ে ন’টার একটু পরেই৷

ক্লাবের বাইরেও তখন একই চিত্র৷ একঝলক দীপাকে দেখতে পাওয়ার আশায় উৎসাহীদের ভিড়৷ আগরতলার তরুণী কাউকে হতাশ করেননি৷ গাড়ি থেকে নেমেই হাত নাড়ালেন উৎসাহী জনতার দিকে৷ টিভির দীপাকে চোখের সামনে দেখতে পেয়ে দর্শকদের মধ্যে তখন অসীম উচ্ছ্বাস৷

ক্লাবের ভিতরে জার্সি গায়ে আগে থেকেই সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন রৌণক পাল, রোহিত কংসবণিক, চন্দন মালিক বা সাহিল মালিকরা৷ এদের মতো বাকিরাও কেউ ভবানীপুরের অনূধর্ব ১২ দলের ফুটবলার বা অনূধর্ব ১৪ দলের৷ এদের সঙ্গে দীপাকে দেখার আশায় অনেক দূর থেকে ছুটে এসেছেন অভিভাবকরাও৷ যদি রিও-র তারকাকে দেখে আরও এক পা এগিয়ে যেতে পারে সন্তান৷ দীপা যখন ঢুকছেন, খুদেরা তাঁর উপর ছড়িয়ে দিল গোলাপের পাপড়ি৷ হেসে ফেললেন তিনি৷ সবার দিকে হাত নেড়ে ঢুকে পড়লেন ক্লাব তাঁবুতে৷

রিও থেকে ফেরা ইস্তক দেশজুড়ে সংবর্ধনায় তিনিও এতদিনে এসবে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন৷ দীপা তাই হেসে বললেন, “ভবানীপুর ক্লাবে আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে৷ এত মানুষ আমার পাশে আছেন জেনে উৎসাহ বেড়ে গেল৷”  মিডিয়ার আলোর ঝলকানিতে খানিক অস্বস্তিতেই পড়ছিলেন দীপা৷ কথা বলতে বলতেও মুখ নামিয়ে নিচ্ছিলেন৷ কিন্তু তিনিই যখন প্রধান আকর্ষণ, এভাবে থাকেন কী করে? আবেগ আর ভালবাসার দাবি মেনে নিয়ে বারবার তাই মুখ তুলতে হল তাঁকে৷ সঙ্গে মুখের সেই হাসিটাও থেকে গেল সকালভর৷ অনেক প্রতিকূলতার সঙ্গে যুঝে রিও-তে চতুর্থ হয়েছেন তিনি৷ কোচ যখন এক এক করে সেসব দিনের কথা বলছেন, শুনে গেলেন নিশ্চুপ হয়ে৷

বাংলা শুধু নয় গোটা দেশেই জিমন্যাস্টিক্সের সেই জায়গা আর নেই জানেন তিনি৷ দিল্লি কমনওয়েলথ গেমসে আশিস কুমারের পদক জেতাই দীপাকে অনুপ্রেরিত করেছিল৷ মনে হয়েছিল এই খেলাতেও কিছু করা যায়৷ তারপর গ্লাসগো গেমসে পদকের পর রিও-তে ইতিহাস৷ তবুও দীপার মনে হয়, তাঁকে নিয়ে এই তুমুল উচ্ছ্বাসের মধ্যেও এখনও দেশের জিমন্যাস্টিক্স পিছিয়ে রয়েছে৷ তাই তিনি নিজেই তুলে আনলেন অরুণা রেড্ডি, প্রণতি দাসদের কথা৷ তাঁকে নিয়ে যে আনন্দ হইচই হচ্ছে তেমনই ওদের পাশেও যেন সবাই থাকে এই আবেদন জানালেন তিনি৷ দীপার বিশ্বাস সকলের সমর্থনেই ভারতীয় জিমন্যাস্টিক্সকে তাঁরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন৷

dipa2_web

 

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে