BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ফের সবুজ-মেরুন জার্সিতে বোয়া

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 27, 2018 11:34 am|    Updated: January 27, 2018 11:34 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: সাধারণতন্ত্র দিবসের দিনই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। ভিসা সমস্যা মিটিয়ে পেন ওরজির শহরে আসতে প্রায় সপ্তাহ দু’য়েক লাগবে, এমন আভাস পাচ্ছিলেন কর্তারা। তখনই হয়ে যায় সিদ্ধান্ত। নেওয়া হবে না ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন তারকাকে। এরপরই ওঠে প্রশ্ন। পেনের বদলি তাহলে কে?

নতুন বিদেশি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় প্রথম থেকেই একটি সিদ্ধান্ত হয়ে ছিল। নেওয়া হবে দেশে খেলে যাওয়া কোনও চেনা মুখ। খুব ভাল হয় তিনি যদি কলকাতায় খেলে যাওয়া কেউ হন। শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে কোচ, ম্যানেজারের আলোচনায় যে নামটি আসে, তাতে আপত্তি করেননি কেউই।
তিনি পিয়ের বোয়া। ১৩ বছরের খরা কাটিয়ে তিন বছর আগে গোষ্ঠ পাল সরণিতে আই লিগ আসার পিছনে তাঁর ভূমিকা অনেকটাই ছিল। চ্যাম্পিয়নশিপ ফোকাসের আলো সোনির দিকেই বেশি পড়লেও বোয়াই ছিলেন নেপথ্য নায়ক। কোচ থেকে শুরু করে তৎকালীন মোহনবাগান ফুটবলার– সবাই বোয়াকেই দলের সেনাপতি হিসাবে উল্লেখ করতেন। ড্রেসিংরুমের একতা থেকে শুরু করে মাঠে বল ডিস্ট্রিবিউশন। পুরোটাই সামলাতেন ক্যামেরুনের মিডফিল্ডার।

[ইস্টবেঙ্গলের ছাঁটাই প্লাজা সই করলেন মহামেডানে]

আই লিগ জেতার পর মোহনবাগান তাঁকে আর রাখেনি। তবে বোয়ার মনে মোহনবাগান সম্পর্কে একটা আলাদা জায়গা ছিলই। ফেডারেশন কাপ জেতা হোক বা অন্যান্য সময়। সোশাল মিডিয়ায় প্রাক্তন ক্লাব ও সতীর্থদের জন্য বারবার পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। যেখানে মাঝেমধ্যেই তাঁকে বলতে দেখা গিয়েছে যে তিনি মোহনবাগানকে মিস করছেন। কলকাতা ছাড়লেও বাগান সমর্থকদের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ ছিল পিয়ের বোয়ার। ফলে বোয়াকে নিয়ে আপত্তি করেননি কেউই। শুক্রবারই যোগাযোগ করা হয় বোয়ার সঙ্গে। তাঁকে দ্রুত ভারতে আসার প্রক্রিয়া শুরু করতে বলে দেওয়া হয়েছে।

[ইস্টবেঙ্গলে প্লাজার বদলি মোহনবাগানের ছাঁটাই ক্রোমা!]

এর পাশাপাশি আইজলের বিরুদ্ধে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাছে চিঠি দিচ্ছে মোহনবাগান। প্রসঙ্গ অ্যাওয়ে টিমের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা। যেখানে বলা হচ্ছে যে, গ্যালারি ও মাঠের মাঝের ফেন্সিং ঠিক করে কোচ-ফুটবলারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে। যেখানে উল্লেখ থাকছে ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে আইজল সমর্থকদের করা অশান্তির কথাও। গোটা বিষয়ে অর্থসচিব দেবাশিস দত্ত বলছিলেন, “শুধু মোহনবাগান নয়, কোনও অ্যাওয়ে দলই ওখানে নিরাপদ নয়। মাঠে একটা ফেন্সিং নেই। ভাবা যায়! এবার ম্যাচের পর পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইতে গেলে বলে, ওদের কিছু করার নেই। হলফ করে বলতে পারি, গতবার চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে যদি জিততাম তাহলে হয়তো বেঁচে ফিরতে পারতাম না। ওদের সমর্থকদের কোনও সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলেই মাঠে নেমে পড়ছে। এগুলো মেনে নেওয়া যায় না।”

[ফের আইজল সমর্থকদের তাণ্ডব, মাঠেই আটকে মোহনবাগান টিম ও রেফারিরা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement