Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মাঠে ঢুকে উৎসব সবুজ-মেরুন সমর্থকদের, বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ

পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যে দিয়ে মাঠ ছাড়লেন হেনরি-ডিকারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮, ১৯:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮, ১৯:৪৬

options
link
মাঠে ঢুকে উৎসব সবুজ-মেরুন সমর্থকদের, বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আট বছরের অপেক্ষাটা নেহাত অল্প সময় নয়। একটা করে মরশুম এসেছে আর কলকাতা লিগ জয়ের পর প্রতিবেশী ক্লাবে জ্বলেছে মশাল। অন্ধকারেই থেকে গিয়েছিল মোহনবাগান। মাঝে আই লিগ, ফেড কাপ আসায় পাল তোলা নৌকায় লেগেছিল আনন্দের হাওয়া। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের টানা আটবার ঘরোয়া লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গর্বে মনে মনে ক্ষতবিক্ষভ হয়েছিলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। দীর্ঘ আট বছর পর গঙ্গাপারের তাঁবুতে ফিরেছে ট্রফি। তাই সেলিব্রেশন যে লাগামছাড়া হবে, তা আন্দাজ করাই গিয়েছিল। কাস্টমসের বিরুদ্ধে মোহনবাগান ম্যাচ জিততে সেই ধারণাই বাস্তবে পরিণত হল।

ম্যাচ শেষ হতেই মাঠের ভিতর ঢুকে পড়লেন দর্শকরা। সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস ঠেকানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেল পুলিশ। কিন্তু এদিন গ্যালারিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। তাই হাজার চেষ্টাতেও রোখা গেল না সমর্থকদের। সবুজ-মেরুন পতাকা হাতে পিলপিল করে মাঠে নেমে পড়লেন সমর্থকরা। ফুটবলারদের ঘিরে ধরেই চলল বিজয়োৎসব। কোনওরকমে পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যে দিয়ে মাঠ ছাড়লেন হেনরি-ডিকারা। আজ আর কোনও বাধা-নিষেধ মানতে রাজি নন তাঁরা। আজ শুধুই উৎসবে মেতে ওঠার দিন। চিংড়ি দিয়ে পেটপুজোর দিন।

Advertisement

[ঘরের মাঠেই শাপমুক্তি, ৮ বছর পর কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান]

এদিন মাঠে দর্শকদের ভিড় তো চোখে পড়ার মতো ছিলই, সেই সঙ্গে ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন রাজনৈতিক জগতের চেনা মুখরাও। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মখোপাধ্যায়ের মতো নেতা-মন্ত্রীরাও নিজের প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। চলতি লিগে এখনও বাকি একটি ম্যাচ। তবে মহামেডান ম্যাচের আগে বুধবার কাস্টমসকে হারিয়েই যে দল চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন সবুজ-মেরুন ভক্তরা। আর সেই কারণেই এমন ইতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে গ্যালারি ভরিয়েছিলেন তাঁরা। উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় ফুটবলভক্ত দম্পতি পান্নালাল ও চৈতালি চট্টোপাধ্যায়ও। তবে ম্যাচ চলাকালীন সদস্য গ্যালারিতে ঢুকে পড়েছিল কয়েকজন বহিরাগত। তারা কীভাবে সেখানে ঢুকল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কথায় বলে মর্নিং শোজ দ্য ডে। লিগের প্রথম ম্যাচ থেকেই দারুণ ছন্দে ছিল মোহনবাগান। অপরাজিত থেকেই চ্যাম্পিয়ন হল তারা। আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে এদিনের জয়ে একসঙ্গে গা ভাসালেন সভাপতি টুটু বোস ও সচিব অঞ্জন মিত্র। উৎসবের মেজাজে ফুটবল সচিব বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলে দিলেন, ভবিষ্যতে ক্লাবের দুই অভিভাবককে আবার হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে দেখা যাবে। আর এটাই হয়ে থাকল ময়দানি ফুটবলের সবচেয়ে বড় পোস্টার।

[অধিনায়ক হিসেবে মহিলা ক্রিকেটে নয়া ইতিহাস মিতালির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.