Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ডিকার হ্যাটট্রিকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে উড়িয়ে দিয়ে ফের লিগ শীর্ষে মোহনবাগান

মিটল বেতন সমস্যাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৮, ১৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৮, ১৮:৫৭

options
link
ডিকার হ্যাটট্রিকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে উড়িয়ে দিয়ে ফের লিগ শীর্ষে মোহনবাগান zoom

মোহনবাগান: ৫ (ডিকা-৩, ব্রিটো, হেনরি)

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ: ০

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘শনির দশা’ কাটিয়ে শনিবাসরীয় মোহনবাগান শুধুই উৎসবের মেজাজ। একদিকে মাঠে যখন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে বেলাইন করে দিলেন ডিকারা, ঠিক তখনই মাঠের বাইরে থেকেও এল সুখবর। অবশেষে মিটল বেতন সমস্যা। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে বেতন পেতে চলেছেন ফুটবলাররা। এদিন শহরের এক হোটেলে বৈঠকের পর একথাই সুনিশ্চিত করে দিলেন ক্লাবকর্তারা। আর সেই সঙ্গে খানিক ভাঙাচোরা দল নিয়েই বাজিমাত করলেন শংকরলাল চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের কলকাতা লিগের তালিকার শীর্ষে উঠে এল মোহনবাগান।

[বিরাটকে এখনই শচীনের সঙ্গে তুলনা করতে নারাজ শেহওয়াগ]

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে লিগের সবচেয়ে দুর্বল দল বললে অত্তুক্তি করা হবে না। তবে সে দলের বিরুদ্ধেও বেশ সতর্ক ছিলেন কোচ শংকরলাল। কারণ দলে তিনি পাননি কিংসলে এবং অরিজিৎ বাগুইকে। কিন্তু কোচ বুঝিয়ে দিলেন, ডার্বির আগে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত তাঁর ছেলেরা। এদিন মোহনবাগানের উদ্দেশ্য শুধু তিন পয়েন্টই ছিল না। ছিল, গোল পার্থক্যে ইস্টবেঙ্গলকে টক্কর দেওয়াও। সেই লক্ষ্যও এদিন পূরণ হল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের। সৌজন্যে ডিপান্ডা ডিকার হ্যাটট্রিক। চলতি লিগে প্রথম হ্যাটট্রিক করে দলকে বড় জয় এনে দিলেন ক্যামেরুনের স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধে একটি গোল করেন ব্রিটো। তবে এদিন দর্শনীয় গোল বললে হেনরির গোলকেই এগিয়ে রাখতে হয়। সোলো রানে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান তিনি। হল পাঁচ-পাঁচটি গোল। কিন্তু আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারত গঙ্গাপারের ক্লাব।

[এশিয়াডে দাপট ভারতের, রোয়িং ও টেনিসে এল জোড়া সোনা]

২ সেপ্টেম্বর বড় ম্যাচের আগে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধেই বড় ব্যবধানে জিতে লিগ জমিয়ে দিতে চেয়েছিল মোহনবাগান। তাই শুরু থেকেই লাগাতার আক্রমণ চালিয়ে যান ডিকা-হেনরিরা। আর শেষমুহূর্ত পর্যন্ত একইভাবে লড়াই চালান। গোল পাওয়ার পরেও খেলা স্লথ হয়নি। তাই তো ইনজুরি টাইমেও দুটো গোল হল। এটাই বড় পাওনা কোচের। পাশাপাশি বাগান রক্ষক এবং গোলকিপারও নিজেদের জাত চেনালেন। ডিকার একটি গোলের নেপথ্যে থেকে মেহতাব আবার নিজের গুরুত্ব বোঝালেন। তাই দিনের শেষে দলগত পারফরম্যান্সেই এল জয়। এদিন রক্ষণে বাধা হয়ে দাঁড়াতেই পারল না পুলিশ দল। আর গোদের উপর বিষফোড়ার মতো ম্যাচের শেষ দিকে আবার লাল কার্ড দেখেন এস কে সারুক। এদিন যেন সবদিক থেকেই জিতে গেল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তাই বৃষ্টিভেজা মোহনবাগানেও জ্বলল জয়ের মশাল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.