Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

রেনবোকে হারিয়ে কলকাতা লিগ শেষ করল মহামেডান

১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে ডিপান্ডা ডিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭, ১৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭, ১৩:৪০

options
link
রেনবোকে হারিয়ে কলকাতা লিগ শেষ করল মহামেডান zoom

মহামেডান – ২ (ডিকা, সত্যম)

রেনবো  এফসি – ১ (বার্নাড)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরপর পয়েন্ট নষ্ট করে আগেই কলকাতা লিগ জয়ের দৌড় থেকে ইতিমধ্যে ছিটকে গিয়েছে মহামেডান স্পোর্টিং। লিগ জয়ের লড়াই এখন শুধু ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ঘরোয়া লিগের অভিযান জয় দিয়েই শেষ করতে চেয়েছিলেন দীপেন্দু দুয়ারি-ডিপান্ডা ডিকারা। আর সেই লক্ষ্যপূরণ করেই মাঠ ছাড়ল সাদা-কালো ব্রিগেড। সিএফএল-এর মূলপর্বে প্রথমবার খেলার সুযোগ পাওয়া রেনবো এফসিকে ২-১ গোলে হারাল তাঁরা। মহামেডানের হয়ে গোল করলেন ডিপান্ডা ডিকা এবং সত্যম সিং। অপরদিকে রেনবো-র হয়ে গোল বিদেশি বার্নাডের।

[বউয়ের সঙ্গে পুজোর শপিং করে ক্লান্ত? আপনার জন্য রইল এই সুযোগ..]

এদিন ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেলা হতে থাকে। চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে নেই জেনেও জয়ের জন্য ঝাঁপায় বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের ছেলেরা। এই ম্যাচে খেলতে নামার আগে চলতি লিগে ১১ গোল করেছিলেন গত আই লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা ডিপান্ডা ডিকা। ঘরোয়া লিগের শেষ ম্যাচেও জারি রাখলেন নিজের গোল করার রেকর্ড। খেলা শুরুর ১৬ মিনিটের মাথাতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ডিকা। দীপেন্দু দুয়ারির ব্যাক পাস থেকে দুর্দান্ত গোল করেন ক্যামেরুনের এই স্ট্রাইকার। কিন্তু গোল খেলেও দমে যাননি তড়িৎ ঘোষের ছেলেরা। ২৯ মিনিটেই দলকে সমতায় ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রেনবোর সুরজ। অভিজিতের পাস থেকে সুরজের শট বাঁচিয়ে দেন মহামেডানের প্রনীত লামা। শেষপর্যন্ত প্রথমার্ধে আর গোলের মুখ খুলতে পারেননি কোনও দলই।

[জানেন, ভারতকে কেন সতর্ক করল নাসা ও ইসরো?]

দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎই আক্রমণের ঝড় তোলে রেনবো এফসি-র ফুটবলাররা। মোহনবাগানকে আটকে দেওয়া তড়িৎ ঘোষের ছেলেরা উদ্যমী ফুটবল খেলতে শুরু করেন। যার ফলস্বরূপ ৫৬ মিনিটে বার্নাডের গোল। তাঁর বাঁ-পায়ের জোরাল শট আটকাতে ব্যর্থ হন মহামেডান গোলরক্ষক। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তের গোলে হারতে হয়েছিল আর ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে খেলা শেষের বাঁশি বাজার কিছু আগে গোল খেয়ে পয়েন্ট খোয়ায় বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের খেলেরা। সেই ভুল থেকেই এদিন শিক্ষা নিয়েছিলেন মহামেডান কোচ। তবে এদিন কোচের মুখ রক্ষা করেন পরিবর্ত হিসেবে নামা সত্যম শর্মা। ৮০ মিনিটে কালু ওগবার পাস থেকে সত্যমের গোল মহামেডান শিবিরে স্বস্তি এনে দেয়। যদিও এই অর্ধে বেশি সুযোগ পেয়েছিলেন রেনবোর খেলোয়াড়রা। কিন্তু গোল করার লোকের অভাবেই ভুগতে হল তাঁদের।

[ভয়ঙ্কর রূপ সদ্যোজাতর, মুখ দেখে কী করলেন বাবা-মা?]

সামনেই ডার্বি। পুজোর আগেই আপাতত সেদিকেই নজর সবার। কারণ ওই ম্যাচই ঠিক করে দেবে কলকাতা লিগের ভাগ্য। কোন ক্লাবে পাবে ঘরোয়া লিগের শিরোপা? এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রিয় বাঙালির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.