সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার আচমকাই সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন চেতেশ্বর পূজারা (Cheteshwar Pujara Retirement)। দীর্ঘদিন ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটের সেবা করা সত্ত্বেও ‘বঞ্চনার’ শিকার হয়েছেন। অনেকের মতে, সেই কারণেই হয়তো ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ‘পূজি’। এবার কি নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে? অবসরের পর কি কোচিংয়ে আসছেন পূজারা?
অবসর ঘোষণার পর একটি সাক্ষাৎকারে পূজারা বলেন, “আমি এখনও এটা নিয়ে বিশেষ কিছু ভাবিনি। সদ্য ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছি। কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য সমস্ত দরজা খোলা রইল।” তাহলে কি এখনই না হলেও আগামীদিনে কোচিংয়ে দেখা যাবে পূজারাকে? ইতিমধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। এমনিতেও ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর বহু প্লেয়ারকে আইপিএলের মঞ্চে কোচিংয়ে দেখা যায়। সমস্যা হল, পূজারা মূলত ‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ বলেই পরিচিত। টেকনিক্যালি যত ভালোই হন না, আইপিএলের বাজারে কি তিনি সুযোগ পাবেন?
রইল বাকি জাতীয় দল বা ঘরোয়া ক্রিকেট। টেস্ট ক্রিকেটে ভারতীয় ব্যাটিং কখনও ‘হিট’, কখনও ‘মিস’। ইংল্যান্ডে যেমন দুরন্ত পারফর্ম করেছে ভারতীয় দল। কিন্তু একটু কঠিন পিচে বা আরও বিধ্বংসী বোলারদের সামনে পড়লে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায়, সেই পরীক্ষা এখনও বাকি। সেখানে কি পূজারার সাহায্য প্রয়োজন? সেক্ষেত্রেও ঘুরে আসে একই প্রশ্ন। শুধু টেস্টের জন্য নিশ্চয়ই কাউকে আলাদা করে কোচ করা হবে না। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাকাডেমিতে যুক্ত হওয়ার রাস্তা খোলা থাকছে পূজারার জন্য।
তবে সেসবই ভবিষ্যতের কথা। আপাতত পূজারার নামের আগে ‘প্রাক্তন’ শব্দটি বসেছে। ২২ গজে আর দেখা যাবে না সনাতনী ঘরানার টেস্ট ব্যাটারকে। দেশের হয়ে ১০৩টি টেস্ট ও পাঁচটি ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। টেস্টে ৪৩.৬০ গড়ে ৭১৯৫ রান করেছেন। লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২০৬। ১৯টা শতরান এবং ৩৫টা অর্ধশতরান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়