Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Bangladesh Cricket Team

সহায় আইসিসি! বিশ্বকাপ বয়কট করা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবে একাধিক হেভিওয়েট

নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। কিন্তু সেজন্য কোনও শাস্তি পেতে হয়নি বিসিবিকে। উলটে পুরস্কার পাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুলরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ২০:১৭

options
link
সহায় আইসিসি! বিশ্বকাপ বয়কট করা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবে একাধিক হেভিওয়েট zoom
বাংলাদেশের পাশে আইসিসি। ফাইল ছবি।

নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। কিন্তু সেজন্য কোনও শাস্তি পেতে হয়নি বিসিবিকে। উলটে পুরস্কার পাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুলরা। অতিরিক্ত একটি আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। উপরন্তু, বিশ্বকাপের পরই লিটন দাসদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় দেশ।

এমনিতেই পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপের পরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার কথা বাংলাদেশের। সেই সিরিজ থেকে মোটা অঙ্কের রোজগার হতে পারে বিসিবির। এরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবেন লিটন দাসরা। দু’দিন আগেই সেই সিরিজের সূচি ঘোষণা করেছে বিসিবি। ওই সিরিজ হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট ও ৩টি করে ওয়ানডে এবং টি-২০ খেলবে বাংলাদেশ। এই টেস্ট দু’টি আবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্গত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তারপরই আরও বড় সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া উড়ে যাবেন নাজমুল শান্তরা। ২৩ বছর পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের আয়োজন করবে অজিরা। এর আগে ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের আয়োজন করেছিল। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অজিদের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। এই টেস্ট দু’টি আবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্গত।

প্রশ্ন হচ্ছে, বিশ্বকাপের পরই বাংলাদেশ এত বড় বড় দেশের সঙ্গে সিরিজ খেলার সুযোগ পাচ্ছে কীভাবে? কোথাও গিয়ে কি আইসিসির সহায়তা রয়েছে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে? আসলে শুরু থেকেই আইসিসি বাংলাদেশের প্রতি আন্তরিক। যে কারণে তাদের বাদ বিশ্বকাপ থেকে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘দুঃখজনক’ হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন আইসিসির শীর্ষ কর্তা সংযোগ গুপ্ত। বস্তুত আইসিসি কর্তাদের বক্তব্য স্পষ্ট ছিল, স্রেফ একটা ইস্যুতে এই বিবাদে এমন পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, যাতে আইসিসির কোনও পূর্ণ সদস্য দেশের স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। বিশ্বকাপে খেলতে না আসায় এমনিই যথেষ্ট ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট। তার উপর শাস্তির খাড়া চাপালে আর্থিকভাবে বেসামাল হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট। তাতে আখেরে ক্ষতি বিশ্ব ক্রিকেটের। এমনিতেই ক্রিকেটের বাজার সীমাবদ্ধ সামান্য কয়েকটি দেশে। তার মধ্যে যদি বাংলাদেশ ক্রিকেটীয়ভাবে পঙ্গু হয়ে যায়, তাহলে আদতে ক্ষতি ক্রিকেটেরই। ভুলে গেলে চলবে না বাংলাদেশে ক্রিকেটের অন্তত ২০ কোটি সমর্থক রয়েছেন। সেই ২০ কোটি সমর্থক কিন্তু ক্রিকেটের শক্তি। তাই সার্বিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে শাস্তির মুখে না ফেলে সহযোগিতার হাত বাড়ানোটাই শ্রেয় বলে মনে করেছে আইসিসি। সম্ভবত সেকারণেই একের পর এক বড় দল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলতে চলেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.