২২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাবালিকা পরিচারিকাকে নিগ্রহের পর এবার সতীর্থ ক্রিকেটারকে মারধরের অভিযোগ। বিতর্ক পিছুই ছাড়ছে না বাংলাদেশি ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেনের। সম্প্রতি ঘরোয়া ক্রিকেটের একটি ম্যাচে সতীর্থ আরাফত সানিকে মাঠের মধ্যেই মারধরের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের ফাস্ট বোলারের বিরুদ্ধে। ঘটনায় শাহাদাতকে সাসপেন্ড করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ফলে জাতীয় ক্রিকেট লিগের কোনও ম্যাচেই খেলতে পারবেন না ক্রিকেটার। বিসিবির (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড) কোড অফ কনডাক্ট অনুযায়ী, লেভেল ৪ অপরাধে অভিযুক্ত শাহাদাতকে এক বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হতে পারে।

জানা গিয়েছে, খুলনার আবু নাসের স্টেডিয়ামে ঢাকা বনাম খুলনার ম্যাচে দলের সতীর্থ আরাফত সানির সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন শাহাদাত। জনৈক ক্রীড়া ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, এক বছরের নির্বাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশের মুদ্রায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে শাহাদাতকে। ম্যাচ রেফারি আখতার আহমেদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই শাস্তি দেওয়া হয়েছে ক্রিকেটারকে। জানা গিয়েছে, খেলা চলাকালীনই সতীর্থের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে ক্ষান্ত হননি শাহাদাত। সানিকে লাথিও মারেন তিনি। এতেই বিসিবির কোড অফ কনডাক্ট অনুযায়ী, লেভেল ৪ অপরাধ করেছেন অভিযুক্ত।

[আরও পড়ুন: ব্যাটই শেষ কথা বলবে, ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত কামব্যাক পৃথ্বীর]

এর আগেও শিরোনামে এসেছিলেন শাহাদাত। ২০১৫ সালে ১ বছরের কিশোরী পরিচারিকাকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগে হাজতবাসও হয়েছিল ক্রিকেটারের। তখন সব ফর্ম্যাটের ক্রিকেট থেকে তাঁকে নির্বাসিত করা হয়। কিন্তু পরে মানবতার খাতিরে তাঁর নির্বাসন তুলে নেয় বিসিবি এবং তাঁকে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয়। যদিও একবছর পরে প্রমাণাভাবে ৩৩ বছর বয়সী ক্রিকেটারকে খালাস করে আদালত।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং