সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বল হাতে মহম্মদ শামি, সুরজ সিন্ধু জয়সওয়ালের দাপট। তারপর অভিমন্যু ঈশ্বরণ, শাহবাজ আহমেদদের দুরন্ত ব্যাটিং। রনজি ট্রফিতে অসমের রান টপকে বড় লিডের পথে বাংলা। কল্যাণীতে প্রথম ইনিংসে অসমের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২০০ রানে। জবাবে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলার রান ২৬৭। লিড ৬৭ রানের। যা পরিস্থিতি তাতে ৩ পয়েন্ট কার্যত নিশ্চিত। এবার পুরো পয়েন্ট লক্ষ্য বাংলার।
প্রথম দিনের শেষে অসমের রান ছিল ৮ উইকেটে ১৯৪। বাংলার পেস বিভাগে শামির সঙ্গে ছিলেন ঈশান পোড়েল, সুরজ এবং মহম্মদ কাইফ। স্পিন বিভাগে শাহবাজ আহমেদের সঙ্গে রাহুল প্রসাদ। ভারত ‘এ’ দলে থাকায় এই ম্যাচে ছিলেন না অসমের পরিচিত মুখ রিয়ান পরাগ। সেটার অবশ্যই প্রভাব পড়েছে তাদের ব্যাটিংয়ে। শুরুর ধাক্কা সামলে ওপেনার প্রদ্যুৎ সাইকিয়ার (৩৮) সঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন স্বরূপম পুরকায়স্থ (৬৮)। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই শামি-সুরজদের দাপটে ২০০ রানে শেষ হয়ে যায় অসমের ইনিংস। বাংলার দুই বোলারই ৩টি করে উইকেট পান।
বাংলার ইনিংসের শুরুটাও ভালো হয়নি। মাত্র ২ রানের মাথায় আউট হন সুদীপ কুমার ঘরামি। কিন্তু অধিনায়ক অভিমন্যু ও শাকির গান্ধীর লম্বা জুটিতে আর সমস্যায় পড়েনি বাংলা। শাকির আউট হন ৫৮ রানে। বাংলার রান দেড়শোর পেরোনোর পর ফিরে যান অভিমন্যু (৬৬)। অনুষ্টুপ মজুমদারও ভালো শুরু করে আউট হন। ক্রিজে এখনও আছেন শাহবাজ আহমেদ ও সুমন্ত গুপ্ত। শাহবাজ রীতিমতো ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করছেন। ৬৭ বলে তাঁর রান ৬১। ৬টি চারের পাশাপাশি দু’টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে সুমন্ত অপরাজিত আছেন ২৫ রানে।
বাংলা আপাতত ৬৭ রানে এগিয়ে। হাতে এখনও দু’দিন। এখান থেকে দ্রুতগতিতে বড় লিড তুলতে পারলে পুরো পয়েন্টের সম্ভাবনা থাকবে বাংলার জন্য। আর অসমকে যদি ইনিংসে বা ১০ উইকেটে হারানো যায়, তাহলে বোনাস পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকবে। এর আগের ম্যাচে রেলওয়েজের বিরুদ্ধে ৭ পয়েন্ট এসেছিল। অসমের বিরুদ্ধেও সেটার সম্ভাবনা রয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়