Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Border Gavaskar Trophy

অ্যাডিলেডে গোপনে চলছে পিচ তৈরির কাজ, কী পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার?

বিশেষ ধরনের রোলার থেকে পিচের কাঠিন্য মাপার যন্ত্র, কী নেই অজিদের পিচ মহাযজ্ঞে!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২৪, ১৬:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২৪, ১৬:৫০

options
link
অ্যাডিলেডে গোপনে চলছে পিচ তৈরির কাজ, কী পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার? zoom
ছবি: শুভায়ন চক্রবর্তী।
Advertisement

শুভায়ন চক্রবর্তী, অ্যাডিলেড: বর্ডার গাভাসকর টেস্টের শুরুটা এরকম হবে, তা বোধহয় ভাবতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। পারথের টেস্টে ২৯৫ রানে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্যাট কামিন্সের দল। সামনেই অ্যাডিলেড টেস্ট। যেখানে গত সফরে মাত্র ৩৬ রানে অলআউট হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। এবারও সেখানেই দিন-রাতের টেস্ট। কামব্যাকের সুযোগ অস্ট্রেলিয়ার কাছেও। আর সেই সুযোগ কি ছাড়া যায়? পিঙ্ক বল টেস্টের আগে ওভালে শুরু লুকিয়ে চলছে পিচ তৈরির কাজ। বোঝাই যায়, প্রত্যাবর্তনের জন্য কতটা মরিয়া হয়ে উঠছে ব্যাগি গ্রিনরা।

কী দেখা গেল অ্যাডিলেডের স্টেডিয়ামে পৌঁছে? ভারত যখন ক্যানবেরায় প্রধানমন্ত্রী একাদশের সঙ্গে পিঙ্ক বলে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে, তখন গোপনে পিচ তৈরির কাজ চালাচ্ছেন কিউরেটার দামিয়ান হু। সঙ্গে একজন মাত্র সহকারী। এমনিতে পিঙ্ক বলের পিচ তৈরির জন্য কিছু বিশেষ প্রস্তুতি দরকার। পিচে ঘাস রাখতে হয় মাত্র সাত মিলিমিটার। শনিবার দুপুরে মাঠে পৌঁছে দেখা গেল পিচে ঘাসে পরিপূর্ণ। তাতে বেশ ভালোমতোই রোলার চালালেন হু। সাধারণত অস্ট্রেলিয়ায় বোলিং সহায়ক কঠিন পিচ বানানোর জন্য যে হাইড্রাগ্লাইড রোলার ব্যবহার করা হয়, সেটাই চালিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

তবে আকর্ষণীয় বিষয় হল, শুধু সোজাসুজি নয়, হু রোলার চালালেন আড়াআড়ি ভাবেই। উদ্দেশ্য স্পষ্ট। যাতে কোনওভাবেই পিচ না ভাঙে। আবার একই সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘাসও থাকে। তার পর এক সহকারী মেপে দেখলেন ঘাসের মাপ। দেখে নিলেন পিচের মাটি কতটা শক্ত রয়েছে। আর তিনি যে যন্ত্রটা ব্যবহার করলেন, তা সাধারণত ইঞ্জিনিয়াররা ব্যবহার করেন বিভিন্ন প্রজেক্টে। বোঝাই যাচ্ছে, অ্যাডিলেডের পিচ তৈরির বিষয় কতটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে অস্ট্রেলিয়া। তার মধ্যে এই পিচ আবার ড্রপ ইন। অর্থাৎ অন্য জায়গা থেকে তুলে নিয়ে আসা। ফলে সেটা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছেন হু ও তাঁর সহকারীরা।

তার পরই অবশ্য বিনম্রভাবে ‘ঘাড় ধাক্কা’ জুটল। মিডিয়ার থেকে যতরকম ভাবে পিচকে দূরে রাখা যায় আর কী! পরের দিন অবশ্য ফের হানা দেওয়া গেল। আর সেখানেই চমক। স্টেডিয়াম পুরোপুরি বন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই মনে পড়তে পারে পারথে প্রথম টেস্টের আগে ভারতের প্রস্তুতির কথা। ওয়াকার নেটে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় কালো কাপড়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। তা নিয়ে কম হইচই করেনি অস্ট্রেলিয়ার মিডিয়া। আর সেখানে তো গোটা স্টেডিয়ামই বন্ধ! বোঝাই যাচ্ছে পারথ টেস্ট হারের ধাক্কা ভালোমতোই লেগেছে অস্ট্রেলিয়ার। তাই অ্যাডিলেডে গোপন অস্ত্র হয়ে উঠছে পিচ। বর্ডার গাভাসকর ট্রফি মানে এমনিতেই বিতর্কের ফুলঝুরি। প্রথম টেস্টে সেভাবে তার নমুনা দেখা যায়নি। কে বলতে পারে দ্বিতীয় টেস্ট থেকেই সেটা শুরু হয়ে যাবে কিনা? আর তার শুরুটা হতে পারে যত কাণ্ড পিচ দিয়েই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.